কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প কোনটি?

ক) পদ্মপুরাণ
খ) পদ্মবতী
গ) পদ্মগোখরা
ঘ) পদ্মরাগ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

'পদ্মগোখরা' জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
- এই গল্পটি তাঁর 'শিউলিমালা' (১৯৩১) শীর্ষক গল্পগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।
- নজরুলের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ হলো 'ব্যথার দান', 'রিক্তের বেদন' ইত্যাদি।
- অন্যদিকে, 'পদ্মরাগ' হলো নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি উপন্যাস।
- 'পদ্মাবতী' মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য।
- 'পদ্মপুরাণ' (অপশনে 'পদ্মপুরাগ') একটি মধ্যযুগীয় মঙ্গলকাব্য, যার অন্যতম রচয়িতা হলেন বিজয় গুপ্ত

Related Questions

ক) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) ঈশান চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Note :

'দিবারাত্রির কাব্য' বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিতে মূলত হেরম্ব, সুপ্রিয়া এবং আনন্দের জটিল প্রেমের টানাপোড়েন ও মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ক) পানসা
খ) ফুলেল
গ) গোলাপ
ঘ) হাতল
Note :

গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দাবলী দুভাগে বিভক্ত মৌলিক ও সাধিত। যে শব্দকে আর কোনোভাবে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন - মা, লাল, তিন হাত, পা, গোলাপ ইত্যাদি । যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, তাই সাধিত শব্দ। যেমন - দয়ালু, পানসা, ফুলেল, হাতল, জমিদার ইত্যাদি।

ক) দ্বন্দ্ব সমাস
খ) অব্যয়ীভাব সমাস
গ) তৎপুরুষ সমাস
ঘ) কর্মধারায় সমাস
Note :

যে সমাসে দুই বা বহুপদ মিলে একপদ এবং প্রত্যেক পদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন - জায়া ও পতি = দম্পতি । আলো ও ছায়া = আলোছায়া , হাট ও বাজার = হাট - বাজার ইত্যাদি।

ক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
গ) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) তারাশঙ্কর চন্দ্যোপাধ্যায়
Note :

‘পালামৌ’ বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনীটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর রচনা। তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বড় ভাই। বাংলা সাহিত্যে এটি একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।

ক) পরাকাষ্ঠা
খ) অভিব্যক্তি
গ) পরিশ্রান্ত
ঘ) অনাবৃষ্টি
Note :

বাংলা ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি। এগুলো হলো -

অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু ও হা ।

ক) রামাই পণ্ডিত
খ) শ্রীকর নন্দী
গ) বিজয় গুপ্ত
ঘ) লোচন দাস
Note :

 শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের একটি সাহিত্যকর্ম। এর রচয়িতা রামাই পন্ডিত। এটি একটি চম্পুকাব্য, যাতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই মিশ্রিত রয়েছে।
শূন্যপুরাণের রচনাকাল ১৪শ শতাব্দীর মধ্যভাগে ধারণা করা হয়।
এটি হিন্দু দেবতা শিবের জীবন ও কর্মকীর্তি নিয়ে রচিত একটি ধর্মীয় মহাকাব্য।
শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনা। এই যুগে বাংলা সাহিত্যে হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রভাব ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
 শূন্যপুরাণে রামাই পন্ডিত শিবের জীবন ও কর্মকীর্তিকে বর্ণনা করেছেন একটি কল্পিত দ্বীপ শূন্যপুরের পটভূমিতে।
 কাব্যটিতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। পদ্যগুলি মূলত শিবের গুণগান ও বীরত্বের বর্ণনা করে, যখন গদ্য অংশগুলি কাহিনী বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন