মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক–
মহাজাগতিক রশ্মির (Cosmic Ray) আবিষ্কারক হলেন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস। তিনি ১৯১২ সালে বেলুনে চড়ে আকাশে পরীক্ষা চালিয়ে এই রশ্মি আবিষ্কার করেন। এই কাজের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
Related Questions
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার।
- অপরদিকে বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার 'A Brief History of Time's গ্রন্থে বিগব্যাঙ তত্ত্বের পক্ষে যুক্তি দেন এবং পদার্থবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে এর ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন।
সিমেন্ট তৈরির অন্যতম কাঁচামাল জিপসাম । সিমেন্টের মধ্যে নানারকম রাসায়নিক উপাদান থাকে। এর উপাদানগুলুর হল সামান্য ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড ও সালফার ট্রাইঅক্সাইডসহ চুন , সিলিকা ,এলুমিনিয়া ও লৌহ ।
সংকর ধাতু পিতলে ৬৫% তামা এবং ৩৫% দস্তা মিশ্রিত থাকে।
• তামা: তামা (Copper) একটি রাসায়নিক মৌল যার চিহ্ন Cu এসেছে ল্যাটিন শব্দ কিউপ্রাম (cuprum) থেকে এবং এর পারমাণবিক ক্রমাঙ্ক ২৯।
- তামা একটি নমনীয় ধাতু এবং এর তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবাহীতা খুব উঁচু দরের তাই অনেক বীজলি বাহী তারের মধ্যেই তামার তার থাকে ।
- বিশুদ্ধ তামা খুব বেশি নরম ও নিজস্ব উজ্জ্বল বর্ণ সমন্বিত কিন্তু আবহাওয়ার সংস্পর্শে এর বাইরে একটি লালচে-কমলা বিবর্ণ স্তর তৈরী হয়।
- তামা ও তামার বহু মিশ্র ধাতু (যেমন ব্রোঞ্জ, পিতলইত্যাদি) অনেক হাজার বছর ধরে মানুষের নিত্য সঙ্গী।
• দস্তা: দস্তা বা জিংক নীলাভ-সাদা ধাতু। লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ও তামার পরে দস্তাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু।
- ইস্পাতের মরিচা রোধে দস্তার প্রলেপ দেয়া হয়।
- পিতল, নিকেল সিলভার, ইত্যাদি সংকর ধাতুতে দস্তা ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাল্কালাইন ব্যাটারিতে অ্যানোড হিসেবে দস্তা ব্যবহৃত হয়।
- জিংক অক্সাইড সাদা রং হিসেবে এবং রবার শিল্পে সক্রিয়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- জিঙ্ক ক্লোরাইড দুর্গন্ধনাশক ও কাঠ সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
গ্যালভানাইজিং (Galvanizing) হলো লোহার ওপর দস্তা বা জিংকের (Zinc) প্রলেপ দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া।
⇒ লোহা বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা তৈরি করে, যা লোহাকে ক্ষয় করে ফেলে।
⇒ লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দিলে তা লোহাকে বাতাস ও পানি থেকে আলাদা রাখে, ফলে লোহায় আর মরিচা পড়ে না এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত হলো D₂O (ডিউটেরিয়াম অক্সাইড)। সাধারণ পানিতে সাধারণ হাইড্রোজেনের পরিবর্তে হাইড্রোজেনের ভারী আইসোটোপ বা ডিউটেরিয়াম (D) থাকে।
পর্যায় সারণির প্রথম মৌল হাইড্রোজেন (H)-ই হলো বিশ্বের সবচেয়ে হালকা গ্যাস।
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ১ এবং পারমাণবিক ভর মাত্র ১.০০৮, যা অন্য সব মৌলের চেয়ে কম।
- এটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন একটি গ্যাস যা অত্যন্ত দাহ্য প্রকৃতির।
- হাইড্রোজেন এতই হালকা যে এটি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ভেদ করে বায়ুমণ্ডলের ওপরের দিকে উঠে যায়।
- অন্যদিকে, হিলিয়াম হলো দ্বিতীয় হালকা গ্যাস, তবে এটি হাইড্রোজেনের মতো দাহ্য নয় বরং নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
জব সলুশন