যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে বলা হয়-
যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলা হয়
Related Questions
প্রথম বাংলা সমার্থক শব্দের অভিধান বা থিসরাস সংকলন করেন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
তাঁর সংকলিত এই অভিধানটির নাম 'যথাশব্দ', যা ১৯৭৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে অনেকেই সমার্থক অভিধান সংকলন করেন, যার মধ্যে অশোক মুখোপাধ্যায়ের সংকলিত সংসদ সমার্থশব্দকোষ (১৯৮৭) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ অংশে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে, স্থান বা শহরের নামের পর কমা (,) বসে। কিন্তু একই বাক্যে বার বা দিনের নামের পর কমা থাকলেও, মাসের তারিখ ও সালের মাঝখানে কোনো কমা বসে না। তাই সঠিক রূপটি হবে: "ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২" (মাঝের কমাটুকু বাদ যাবে)।
ক্রিয়ার স্থান ,কাল ও কারণাদির বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতিগত অবস্থা যেসব শব্দ দ্বারা প্রকাশিত হয় তাদের ক্রিয়া - বিশেষণ বলে। যেমন - ধীরে যাও, সুন্দর গায় ইত্যাদি। যে বিশেষ্য ক্রিয়ার কোনো নাম বোঝায় তাকে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন - খাওয়া, যাওয়া, গমন ইত্যাদি।
অ - কারের পরস্থিত র্ - জাত বিসর্গ এর পর উপর্যুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনোটি থাকলে বিসর্গ স্থানে "র" হয়।যেমন:
প্রাতঃ + আশ = প্রাতঃরাশ।
উপরিল্লিখিত অশুদ্ধ শব্দগুলোর শুদ্ধ বানান হলো - ভবিষ্যত - ভবিষ্যৎ , ভৌগলিক - যক্ষ্মা - যক্ষা, আভ্যন্তর - অভ্যন্তর , ঐক্যতান - ঐকতান , কেবলমাত্র - কেবল, উপরোক্ত - উপর্যুক্ত। উল্লেখ্য, অন্য শব্দগুলো শুদ্ধ এবং 'জন্মবার্ষিক' শব্দের শব্দরুপ নেই।
পর্তুগিজ pera শব্দ থেকে বাংলা পেয়ারা শব্দটি এসেছে। সুতরাং পেয়ারা পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।
জব সলুশন