এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভর সংখ্যা বেড়ে যায় বলে তাদের বলা হয়–
এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভর সংখ্যা বেড়ে যায় বলে তাদের আইসোটোপ (Isotope) বলা হয়।
Related Questions
তামার সাথে দস্তা বা জিঙ্ক মেশালে পিতল হয়। এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু।
রেকটিফাইড স্পিরিট হলো ৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির সমস্ফুটন মিশ্রণ। এর স্ফুনাংক ৭৮.১০ সে. । রেকটিফাইড স্পিরিট ডাক্তারি কাজে ও দ্রাবকরুপে ব্যবহৃত হয়। এ স্পিরিট থেকে বিশুদ্ধ অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়।
টেস্টিং সল্ট-এর রাসায়নিক নাম হলো মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (Monosodium glutamate) বা সংক্ষেপে এমএসজি (MSG)। এটি মূলত গ্লুটামিক অ্যাসিডের একটি সোডিয়াম লবণ, যা খাবারে সুস্বাদু ভাব বা 'উমামি' স্বাদ আনতে ব্যবহার করা হয়।
∎প্রোটন:
প্রোটন ধণাত্মক আধান বিশিষ্ট কণিকা যা নিউক্লিয়াসের মধ্যে থাকে। ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। একটি পরমাণুতে ইলেকট্রনের সমান সংখ্যক প্রোটন থাকে। প্রোটনের ভর 1.673×10−24g যা পারমাণবিক ভর স্কেল অনুসারে 1.007276 amu (এখানে amu হল atomic mass unit)। একটি হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন সরিয়ে নিলেই প্রোটন পাওয়া যায় তাই একে H+বলা যেতে পারে। একে সাধারণত p দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
∎নিউট্রন:
ইলেকট্রন ও প্রোটনের ন্যায় নিউট্রনও একটি মৌলিক কণিকা তবে এটি আধানবিহীন। আধানবিহীন(neutral) হওয়ায় এর এই নাম দেয়া হয়েছে। নিউট্রন নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থান করে। ১৯৩২ সালে জেমস চ্যাডউইক নিউট্রন আবিস্কার করেন। এর আসল ভর 1.675×10−24g যা পারমাণববিক ভর স্কেল অনুসারে 1.008665 amu। এর ভর ইলেকট্রনের ভরের প্রায় 1839 গুণের সমান। একে সাধারণত n দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
রেশম চাষ বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার।
মৌমাছি পালনকে বলা হয় - এপিকালচার।
মৎস্য চাষ পালনকে বলা হয় - পিসিকালচার।
হাঁস মুরগী পালনকে বলা হয় - পোলট্রি ফার্মিং।
কম্পিউটার কার্যক্রমও হয় হার্ডওয়ার ও সফটওয়্যার এর সমন্বয়ে মাধ্যমে যা কোন ব্যবহারকারীর নির্দেশনা অনুসরণ করে। কম্পিউটারে প্রদত্ত তথ্য উপাত্ত বিচার - বিশ্লেষণ করেই কেবল এটি ফলাফল প্রদর্শন করে। কিন্তু কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বিবেচনা নেই।
জব সলুশন