জাহিদ সাহেবের বেতন 10% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন 10% বাড়ানো হলে তার কতটুকু ক্ষতি হল?
মনেকরি, জাহিদ সাহেবের বেতন = 100 টাকা
.: 10% কমানোর পর বেতন 90/100x100 = 90 টাকা
আবার,
১০% বাড়ানোর পর বেতন = 110/100 x 90 = 99 টাকা
তাহলে, ক্ষতি হয় = 100 - 99 = 1 টাকা
.: উত্তর : 1%
Related Questions
যদি \(x : y = 2 : 3\) এবং \(y : z = 5 : 7\) হয়, তবে (x : y : z = {10 : 15 : 21}\) হবে।
আমরা জানি,
দুইটি রাশির গুণফলই হবে রাশিদ্বয়ের ল.সা.গু ও গ.সা.গু এর গুণফল।
.: প্রদত্ত রাশিদ্বয়ের ল.সা.গু ও গ.সা.গু এর গুণফল
= (x2y + xy2). (x2 + xy)
= xy(x + y). x(x + y)
= x2y(x + y)2
যে শাসন ব্যবস্থায় আইনের শাসন, দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক উপায়ে নিশ্চিত করে তাকে সুশাসন বলে।
- সুশাসনের মূলভিত্তি আইনের শাসন। এটি একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ।
- একটি দেশের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আইনের শাসন থাকা দরকার কারণ এর মাধ্যমে স্বেচ্ছাচারি ক্ষমতা ও আধিপত্য রোধ করা যায়।
বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট ‘শর্তহীন আদেশ' ধারণাটির প্রবর্তক। তাঁর নৈতিক মতবাদ তিনটি বিবৃতির উপর নির্ভরশীল।
এগুলো হলো-
ক. সদিচ্ছাই একমাত্র সৎ,
খ. কর্তব্যের জন্য কর্তব্য,
গ. নৈতিক নিয়ম এক নিঃশর্ত আদেশ।
কান্টের নীতিতত্ত্ব অনুসারে, নৈতিক আদেশগুলো সর্বতোভাবে শর্তহীন ও বিশ্বজনীন। এ আদেশ পুরোপুরিভাবে পরিণতিবাদের প্রভাবমুক্ত।
কান্ট শর্তহীন আদেশকে ৩ ভাবে প্রকাশ করেন।
যথা:
১. এমনভাবে কাজ কর যেন তোমার ইচ্ছায় তোমার কাজের নীতি প্রকৃতির বিশ্বজনীন আইন হয়।
২. এমনভাবে কাজ কর যেন মানবতাকে, তা সে তোমার নিজ ব্যক্তিত্ব হোক অথবা হোক অন্য ব্যক্তিত্ব, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই শুধু লক্ষ্য হিসেবে গণ্য করতে পারো, উপায় হিসেবে নয়।
৩. বুদ্ধিবাদী হিসেবে প্রত্যেক বৌদ্ধিক সত্তার ইচ্ছাকে হতে হবে একটি বিশ্বজনীন আইন প্রণয়নকারী ইচ্ছা।
-নৈতিক মূল্যবোধ মানুষের জীবনে অনুসরণযোগ্য এমন কিছু আচরণ বিধি, যা মানুষের জীবন ব্যবস্থা ও জীবন পদ্ধতিকে সঠিক ও সুন্দর পথে পরিচালনা করে।
-ধর্মের কল্যাণধর্মী মর্মবাণী অনুসরণ ও অনুকরণের মাধ্যমে মানুষের জীবনে নৈতিক মূল্যবোধের উজ্জ্বল প্রকাশ ঘটে।
-ধর্ম থেকে উৎসারিত নৈতিক মূল্যবোধ মানুষের নৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটায় এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন-অগ্রগতি সাধন করে।
-নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষকে শুদ্ধাচার বলে।
-রাষ্ট্রের সর্বত্র শুদ্ধাচার চর্চা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করে।
-এটি রাষ্ট্রের বিদ্যমান নিয়মনীতি ও আইন কানুনের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।
জব সলুশন