সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের কোন দিকটির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?
-২০০০ সালে জাতিসংঘ Millennium Development Goals বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য ঘোষণা করে, যা শেষ হয় ২০১৫ সালে।
-এতে মোট ৮টি লক্ষ্যমাত্রা ছিল।
-MDGs এর ৮টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
Related Questions
- ১৯৮০ এর দশকে আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলের দেশগুলিকে বিশ্ব ব্যাংকের দেওয়া ঋণ কার্যক্রমে সফলতা না আসায় ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক ঋণ সহায়তা প্রাপ্তির জন্য আফ্রিকার দেশগুলিকে সুশাসন প্রতিষ্ঠার শর্ত আরোপ করে।
- কারণ, বিশ্বব্যাংক সুশাসনকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ গুলোর টেকসই উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার মনে করে।
- বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ প্রাপ্তির শর্ত হিসাবে ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক ‘সুশাসন’ প্রত্যয়টি প্রবর্তন করেন।
১৮৬৩ সালে ইংরেজ দার্শনিক জন স্টুয়ার্ট মিল এর বিখ্যাত গ্রন্থ Utilitarianism প্রকাশিত হয়।
-এ গ্রন্থে তিনি উপযোগবাদের ব্যাখ্যায় বলেন, উপযোগবাদ (Utilitarianism) হলো সেই ধারণা, যা নৈতিকতা ও সর্বোচ্চ সুখ নীতিকে ভিত্তি হিসেবে মেনে নেয় এবং মনে করে সেই ধরনের কাজই নৈতিক, যা সুখের বৃদ্ধি ঘটায়। সুখ বলতে আনন্দের উপস্থিতি এবং বেদনার অনুপস্থিতি।
-এ গ্রন্থে তিনি আরো বলেন, মুক্তিবোধ বা কোন আদর্শের পরিবর্তে ব্যক্তি পরিচালিত হয় জৈবিক প্রেরণায়; মানুষের জৈবিক প্রেরণার মূল লক্ষ্য সর্বোচ্চ সুখ লাভ এবং দুঃখের পরিসমাপ্তি।
-তিনি ৮ মে ১৮৭৩ সালে (বয়স ৬৬) ফ্রান্সে মৃত্যুবরণ করেন
তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ:
Principles of Political Economy (1848)
On Liberty (1859)
Utilitarianism (1861)
The Subjection of Women (1869)
System of logic,
Ratiocinative and Inductive
গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় সুশাসন হলো একটি কাঙ্ক্ষিত বিষয়, যা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা, প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ইত্যাদি বিষয়গুলো পূর্ণমাত্রায় বজায় থাকলেও যদি মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়টি না থাকে তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সুশাসন থাকে না । কেননা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় যাবতীয় কাজের সমালোচনা করে সুন্দর রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় ।
ভালো-মন্দ হলো নৈতিক মূল্যবোধ (Moral Values)। এটি মানুষের ভেতরের সঠিক ও ভুলের বোধ,সততা এবং বিবেককে পরিচালনা করে।
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে প্রধান হলো সমুদ্রের তাপমাত্রা ও করিওলিস শক্তি।
সমুদ্রের তাপমাত্রা:
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৬-২৭° সেলসিয়াস হতে হয় এবং এ তাপমাত্রা প্রায় ৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত বজায় থাকতে হয়। এজন্য সাধারণত কর্কট ও মকর ক্রান্তিরেখার কাছাকাছি অবস্থিত সমুদ্র অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বা গ্রীষ্মের শেষে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।
পৃথিবীর ঘোরা (করিওলিস শক্তি):
নিরক্ষীয় অঞ্চলে গরমে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ওপরে উঠে গেলে সৃষ্ট শূন্যস্থান পূরণে মেরু অঞ্চল থেকে ঠান্ডা বায়ু প্রবাহিত হয়। কিন্তু পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে সৃষ্ট করিওলিস শক্তি বায়ুকে সোজাসুজি না চালিয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বাঁকিয়ে দেয়। এর ফলে ঘূর্ণিবায়ুর আবর্তন সৃষ্টি হয়।
- উত্তর গোলার্ধে ঘূর্ণিঝড় ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
- দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকেই ঘুরে থাকে।
এই কারণে, সাধারণত নিরক্ষরেখার ৫° থেকে ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। নিরক্ষরেখার ৫°–২০° অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় বলা হয়।
এভাবে উষ্ণ সমুদ্রজল এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবে সৃষ্ট করিওলিস শক্তির সম্মিলনে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।
বায়ুমণ্ডলের যেসকল গ্যাস তাপীয় অবলোহিত সীমার মধ্যে বিকিরিত শক্তি শোষণ ও নির্গত করে সেসকল গ্যাসকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে।
গ্রিন হাউস গ্যাস গুলো হলো:
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2),
মিথেন (CH4),
নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC)।
২০১৪ সালের IPCC এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনে যেসকল অর্থনৈতিক খাত দায়ী তা হলো:-
-বিদ্যুৎ ও তাপ (২৫ শতাংশ),
-শিল্প (২১ শতাংশ),
-কৃষি ও ভূমির ব্যবহার (২৪%),
-পরিবহন (১৪ শতাংশ),
-ভবন (৬ শতাংশ)
-ও অন্যান্য (১০ শতাংশ)।
জব সলুশন