সুশাসনের পূর্বশর্ত কী?
গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় সুশাসন হলো একটি কাঙ্ক্ষিত বিষয়, যা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা, প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ইত্যাদি বিষয়গুলো পূর্ণমাত্রায় বজায় থাকলেও যদি মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়টি না থাকে তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সুশাসন থাকে না । কেননা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় যাবতীয় কাজের সমালোচনা করে সুন্দর রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় ।
Related Questions
ভালো-মন্দ হলো নৈতিক মূল্যবোধ (Moral Values)। এটি মানুষের ভেতরের সঠিক ও ভুলের বোধ,সততা এবং বিবেককে পরিচালনা করে।
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে প্রধান হলো সমুদ্রের তাপমাত্রা ও করিওলিস শক্তি।
সমুদ্রের তাপমাত্রা:
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৬-২৭° সেলসিয়াস হতে হয় এবং এ তাপমাত্রা প্রায় ৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত বজায় থাকতে হয়। এজন্য সাধারণত কর্কট ও মকর ক্রান্তিরেখার কাছাকাছি অবস্থিত সমুদ্র অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বা গ্রীষ্মের শেষে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।
পৃথিবীর ঘোরা (করিওলিস শক্তি):
নিরক্ষীয় অঞ্চলে গরমে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ওপরে উঠে গেলে সৃষ্ট শূন্যস্থান পূরণে মেরু অঞ্চল থেকে ঠান্ডা বায়ু প্রবাহিত হয়। কিন্তু পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে সৃষ্ট করিওলিস শক্তি বায়ুকে সোজাসুজি না চালিয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বাঁকিয়ে দেয়। এর ফলে ঘূর্ণিবায়ুর আবর্তন সৃষ্টি হয়।
- উত্তর গোলার্ধে ঘূর্ণিঝড় ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
- দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকেই ঘুরে থাকে।
এই কারণে, সাধারণত নিরক্ষরেখার ৫° থেকে ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। নিরক্ষরেখার ৫°–২০° অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় বলা হয়।
এভাবে উষ্ণ সমুদ্রজল এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবে সৃষ্ট করিওলিস শক্তির সম্মিলনে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।
বায়ুমণ্ডলের যেসকল গ্যাস তাপীয় অবলোহিত সীমার মধ্যে বিকিরিত শক্তি শোষণ ও নির্গত করে সেসকল গ্যাসকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে।
গ্রিন হাউস গ্যাস গুলো হলো:
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2),
মিথেন (CH4),
নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC)।
২০১৪ সালের IPCC এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনে যেসকল অর্থনৈতিক খাত দায়ী তা হলো:-
-বিদ্যুৎ ও তাপ (২৫ শতাংশ),
-শিল্প (২১ শতাংশ),
-কৃষি ও ভূমির ব্যবহার (২৪%),
-পরিবহন (১৪ শতাংশ),
-ভবন (৬ শতাংশ)
-ও অন্যান্য (১০ শতাংশ)।
ভূ-অভ্যন্তরে যেখানে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় তাকে কেন্দ্র বা 'ফোকাস' (Focus/Hypocenter) বলে এবং ফোকাসের ঠিক উল্লম্ব বরাবর ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র বা 'এপিসেন্টার' (Epicenter) বলা হয়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
-বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস।
উপকূলের ভিত্তিরেখা থেকে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা (Exclusive Economic Zone) হলো ২০০ নটিক্যাল মাইল।
জব সলুশন