“খন্ড প্রলয়” প্রবাদটির প্রয়োগিক অর্থ
“খন্ড প্রলয়” প্রবাদটির প্রয়োগিক অর্থ হলো অল্প সময়ের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয়, তুমুল কাণ্ড, বা বিশৃঙ্খলা। এটি মূলত কোনো ছোট পরিসরে হঠাৎ ঘটা চরম বিশৃঙ্খল বা ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
তৎসম স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে, অ-কার কিংবা আ-কারের পর ‘ঋত’ শব্দ থাকলে উভয়ে মিলে ‘আর্’ হয়। এর ফলে বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে ‘আ-কার’ (া) এবং পরবর্তী বর্ণে ‘রেফ’ ( র্ ) যুক্ত হয়। যেমন: শীত্ + অ + ঋত = শীত্ + আর্ + ত = শীতার্ত।
নারিকেল' শব্দটি একটি তৎসম শব্দ। যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রূপ পরিবর্তন না করে সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক স্মৃতিকথা "একাত্তরের দিনগুলি" এর রচয়িতা শহিদ জননী জাহানারা ইমাম।
এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের প্রতিদিনের কাহিনি বর্ণিত আছে।
ল্যাটিন ভাষায়
ডেসি শব্দের অর্থ দশমাংশ।
সেন্টি শব্দের অর্থ শতাংশ ।
মিলি শব্দের অর্থ সহস্রাংশ।
‘তামার বিষ’ বাগধারার প্রকৃত অর্থ - অর্থের কুপ্রভাব। যেমন: হঠাৎ বড় লোক কিনা তাই তামার বিষে বিবেকহীন হয়ে পড়েছে।
- যে সকল সমাস কোনো নিয়মের অধীন নয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ = পণ্ডিতমূর্খ।
- নরাকারের পশু যে = নরপশু।
জব সলুশন