বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা -
২৩ মার্চ ২০১৯ প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী ,বর্তমানে দেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০ টি। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সিংহভাগ পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহ , সিলেট ও রাজশাহী অঞ্চলে বসবাস করে । বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হল চাকমা। এছাড়া রয়েছে গারো, ত্রিপুরা, সাঁওতাল,মনিপুরী ইত্যাদি।
Related Questions
সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের সম্মানার্থে বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সম্মানসূচক বা সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করেছিল। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্যানুসন্ধানে জানা যায় যে, আইনগত বা দাপ্তরিকভাবে বাংলা দেশটির দ্বিতীয় কোনো রাষ্ট্রভাষা বা সরকারি ভাষা নয়, বরং এটি ছিল একটি বিশেষ সম্মান প্রদর্শন।
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন।
তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম। ভারত বিভাগের পরপরই ১৯৪৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ঢাকায় তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি স্বল্পকাল স্থায়ী প্রদেশ। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর এই প্রদেশ গঠিত হয়। ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৬ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা।
BSTI = Bangladesh Standards and Testing Institution। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। এর সদর দপ্তর ঢাকার তেজগাঁও।
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা হলো সংসদীয় পদ্ধতি বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত গণতন্ত্র। প্রকৃতির দিক থেকে এটি একটি এককেন্দ্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। দেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান।
জব সলুশন