বঙ্গভঙ্গের কারণে কোন নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয়েছিল?
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি স্বল্পকাল স্থায়ী প্রদেশ। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর এই প্রদেশ গঠিত হয়। ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৬ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা।
Related Questions
BSTI = Bangladesh Standards and Testing Institution। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। এর সদর দপ্তর ঢাকার তেজগাঁও।
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা হলো সংসদীয় পদ্ধতি বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত গণতন্ত্র। প্রকৃতির দিক থেকে এটি একটি এককেন্দ্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। দেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান।
এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের,
(১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।
ভারতে চৈনিক তীর্থ-ভ্রমণকারীদের মধ্যে সর্বপ্রথম যাঁর বিবরণী পাওয়া যায়, তিনি হচ্ছেন ফা-হিয়েন।
- পাঁচ শতকের সূচনায় তিনি ভারত ভ্রমণ করেন। এ সময় গুপ্ত বংশীয়রা বাংলার অংশবিশেষসহ ভারত শাসন করছিলেন।
- ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন এবং ১৪ বছর পর আবার চীনে ফিরে যান।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলিম স্বাধীন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
- তিনি প্রথম দিকে দিল্লির সালতানাতের অধীনে কাজ করতেন। পরে বাংলায় চলে আসেন।
- বাংলায় দিল্লির প্রাদেশিক গভর্নর ইয়াহিয়ার মৃত্যুর পর তিনি ক্ষমতা দখল করে বাংলাকে দিল্লির অধীন থেকে মুক্ত ঘোষণা করেন।
গৌড়: উত্তর বঙ্গে নিয়ে গঠিত জনপদ।
চন্দ্রদ্বীপ: বর্তমান বরিশাল জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এই জনপদ ছিল।
তাম্রলিপ্ত: হরিকেলের উত্তরে অবস্থিত জনপদ।
বঙ্গ: দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গদেশ বঙ্গ নামে পরিচিত ছিল।
বরেন্দ্র ওপুণ্ড্রবর্ধন : উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। ঐতিহাসিকেদের মতে− বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ এবং দার্জিলিং ও কোচবিহারসহ গঠিত সমগ্র অঞ্চল বরেন্দ্র এলাকা।
সমতট: বঙ্গদেশের আর্দ্র-নিম্নভূমিকে সমতট হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়।
রাঢ়: ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত অঞ্চলকে রাঢ় বলা হয়।
হরিকেল: পূর্বভারতের একটি জনপদ। এই জনপদটি বঙ্গদেশের অংশ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ত্রিপুরার এবং তৎসংলগ্ন এলাকা হরিকেলের অংশ ছিল বলে অনুমান করা হয়।
১. প্রাচীন কালে ঢাকা বঙ্গ জনপদের অধীনে ছিল।
২. বগুড়ার মহাস্থানগড় একসময় পুণ্ড্রনগর হিসেবে পরিচিত ছিল।
জব সলুশন