. 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' কার লেখা? Created: 1 year ago | Updated: 1 week ago

ক) এস. ওয়াজেদ আলী
খ) আবুল হাসেম
গ) আবুল মনসুর আহমেদ
ঘ) আবুল হোসেন

Related Questions

ক) রামায়নের সাত পর্ব
খ) রামায়নে বর্ণিত বৃক্ষ
গ) রামায়নে বর্ণিত সাতিটি সমুদ্র
ঘ) বৃহৎ বিষয়
Note :

’সপ্তকান্ড রামায়ণ’ বাগধারাটির অর্থ বৃহৎ বিষয়।
 ১৪শ শতকে মাধব কন্দলী অসমীয়া ভাষায় সম্ভকাও রামায়ণ নামে বাল্মীকি রামায়ণ অনুবাদ করেন। এটি সাতটি খণ্ডে বিভক্ত ছিল এবং আকার ছিল বড় ও বিস্তৃত।

ক) বিসমীভবন
খ) সমীভবন
গ) ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
ঘ) ব্যঞ্জন বিকৃতি
Note :

কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বতা বলে।
- যেমন: বড় > বড্ড, পাকা > পাক্কা, সকাল > সক্কাল।

ক) কাঁদো নদী কাঁদো
খ) নেকড়ে অরণ্য
গ) রাঙা প্রভাত
ঘ) প্রদোষে প্রাকৃতজন
ক) বাংলাদেশ
খ) নেপাল
গ) উড়িষ্যা
ঘ) ভুটান
Note :

বাংলা ভাষা ও সঙ্গীতের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত চর্যাপদ ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। চর্যার পুঁথিতে ৫১ টি গান ছিল, যার সাড়ে ৪৬ টি পাওয়া গেছে। চর্যার অর্থ যা আচরণযোগ্য বা আচরণীয়। এই চর্যাপদ আবিষ্কারের ফলে বাংলাভাষার প্রাচীনত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়। এই চর্যাপদই বাংলার প্রাচীনতম গ্রন্থ। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদকে সন্ধ্যা ভাষা বলেছেন; কারণ, এর ভাষা বাংলার আলো-আঁধারির মতো আবছা লাগে।

ক) সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
খ) কোরেশী মাগন ঠাকুর
গ) সুলতান বরবক শাহ
ঘ) জমিদার নিজাম শাহ
Note :

- দৌলত উজির বাহরাম খান (আনু. ১৬শ শতক)  মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষার কবি। তাঁর আত্মপরিচয় থেকে জানা যায় যে, তিনি চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ অথবা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন।
-  পীরভক্ত বাহরাম খানের প্রকৃত নাম আসাউদ্দীন।
- তিনি অল্প বয়সে পিতৃহীন হলে চট্টগ্রামের অধিপতি নেজাম শাহ সুর তাঁকে পিতৃপদ (উজির) প্রদান করেন।

- বাহরাম খান দুটি আখ্যানকাব্য রচনা করেন: লায়লী-মজন ও ইমাম-বিজয়।
- উভয় কাব্যের উৎস আরবি সাহিত্য।  
- লায়লী-মজনু মূলত আধ্যাত্মিক কাব্য, কিন্তু বাংলা অনুবাদে তা পরিণত হয়েছে মানবিক প্রেমকাব্যে।
- বাহরাম খানই প্রথম লায়লী-মজনুর মতো বিশ্বখ্যাত বিরহমূলক প্রেমকাহিনী নিয়ে বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন। 

- একই কাহিনী অবলম্বনে মুহম্মদ খাতের ১৮৬৪ সালে দোভাষী পুথি এবং শেখ ফজলুল করিম ১৯০৩ সালে আখ্যানকাব্য রচনা করেন। 

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

ক) মাওলানা ভাসানী
খ) আবুল ফজল
গ) শহীদুল্লা কায়সার
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
Note :

'আমার দেখা নয়াচীন ' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ। এটি বঙ্গবন্ধু রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন