'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়-
মুসলিম সাহিত্য সমাজ ছিল বাংলাদেশের একটি 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের দল বা সংগঠন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমান ঢাকা কলেজ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র ও শিক্ষকের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। মুসলিম সাহিত্য সমাজের কর্ণধার ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন, কাজী আবদুল ওদুদ এবং আবুল হুসেন। মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিলো বার্ষিক প্রকাশিত শিখা পত্রিকা। ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত মাত্র এক দশক চলেছিল এই ঢাকা কেন্দ্রিক গোষ্ঠীটির কার্যক্রম।
Related Questions
ফারসি ভাষা থেকে আগত গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দঃ আওয়াজ, আফসোস, আবহাওয়া, অজুহাত, আবাদ, আমদানি, আমেজ, আয়না, আরাম, আসমান, ওস্তাদ, কামাই, কারখানা, কারবার, কারিগর, কিনারা, কিশমিশ, কুস্তি, কোমর, খরচ, খরগোশ, চশমা, মোকদ্দমা, মালিক, সিপাহী, খোদা, খাতা, গোলাপ
অধিত্যকা এর বিপরীত শব্দ উপত্যকা।
অন্ধকার - আলো
তিরোভাব - আবির্ভাব
হালকা - ভারী
ঐহিক শব্দের অর্থ - ইহলোক সম্পর্কিত, এই জন্মেই ইত্যাদি । প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ।
পারত্রিক শব্দের অর্থ - পরলোক,পরলোক সংক্রান্ত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ।
তাই ঐহিক শব্দের বিপরীত শব্দ পারত্রিক।
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন কবিতা চর্যার পদগুলো সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষায় রচিত। যে ভাষা সুনির্দিষ্ট রূপ পায়নি, যে ভাষার অর্থও একাধিক অর্থাৎ আলো-আঁধারের মতো, সে ভাষাকে পণ্ডিতগণ সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বলেছেন।
মানুষের দেহের যে সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধ্বনি তৈরীতে সহায়তা করে তাকে বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। কারণ ধ্বনির সৃষ্টি হয় বাগযন্ত্রের দ্বারা। গলনালি, মুখবিবর, কণ্ঠ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, নাক ইত্যাদি বাক প্রত্যঙ্গকে এক কথায় বলে বাগযন্ত্র।
দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন। বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়। যেমনঃ ‘আমার জ্বর জ্বর লাগছে'। অর্থাৎ ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব অর্থে এই প্রয়োগ।
জব সলুশন