আইন ও সালিশ কেন্দ্র কি ধরণের সংস্থা?
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) হলো একটি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার এবং আইন সহায়তা প্রদানকারী বেসরকারি সংগঠন (এনজিও)। এটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
Related Questions
বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামি সংখ্যা ছিল ৩৫ জন। মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য বিচার’।
আওয়ামী লীগের ৬-দফা দাবি ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে পেশ করা হয়েছিল। এটি বাঙালিদের মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগে রয়েছে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
- এর ২য় পরিচ্ছেদে রয়েছে সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা যা সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ: “ আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।”
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়। সংবিধানে এগারোটি ভাগ ও চারটি সিডিউলে বিন্যস্ত মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল সমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭টি তফসিল –
• প্রথম তফছিল – অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফছিল – রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• তৃতীয় তফছিল- শপথ ঘোষণা।
• চতুর্থ তফছিল – ক্রান্তিকাল ও অস্থায়ী বিধানমালা।
• পঞ্চম তফছিল–১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্সময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফছিল -১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফছিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিব নগর সরকারের জারিকৃ্তস্বা ধীনতার ঘোষণাপত্র ।
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে ‘First distortion of constitution’ বা সংবিধানের প্রথম বিকৃতি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারীকৃত সামরিক আইন ও এর সব কার্যক্রমকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল।
জব সলুশন