গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয় –

ক) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
গ) ৭ মার্চ, ১৯৭২
ঘ) ২৬ মার্চ ১৯৭৩
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়। সংবিধানে এগারোটি ভাগ ও চারটি সিডিউলে বিন্যস্ত মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

Related Questions

ক) চতুর্থ
খ) পঞ্চম
গ) ষষ্ঠ
ঘ) সপ্তম
Note :

বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল সমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭টি তফসিল –
• প্রথম তফছিল – অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফছিল – রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• তৃতীয় তফছিল- শপথ ঘোষণা।
• চতুর্থ তফছিল – ক্রান্তিকাল ও অস্থায়ী বিধানমালা।
• পঞ্চম তফছিল–১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্সময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফছিল -১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফছিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিব নগর সরকারের জারিকৃ্তস্বা ধীনতার ঘোষণাপত্র ।

ক) ৫ম সংশােধন
খ) ৪র্থ সংশােধন
গ) ৩য় সংশােধন
ঘ) ২য় সংশােধন
Note :

বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে ‘First distortion of constitution’ বা সংবিধানের প্রথম বিকৃতি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পাস হওয়া এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারীকৃত সামরিক আইন ও এর সব কার্যক্রমকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল।

ক) ১৯৯১ সালে
খ) ১৯৭৩ সালে
গ) ১৯৮৬ সালে
ঘ) ১৯৯৬ সালে
Note :

Value Added Tax বা মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে প্রথম চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। এ সংক্রান্ত আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় ১০ জুলাই ১৯৯১। মূসক একটি পরোক্ষ কর। এ উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়। মূল্য সংযোজন কর মূলত বিক্রয় কর বা সেলস ট্যাক্সের মতো।

ক) সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
খ) সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা
গ) সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
ঘ) সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা
Note :

২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা। 

ক) ২৯.৬৬%
খ) ৩০.৬৬%
গ) ৩২.৬৬%
ঘ) ৩৩.৬৬%
Note :

৮ সালে বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) শিল্প খাতের অবদান ছিল প্রায় ৩৩.৬৬%.

ক) যুক্তরাজ্যের
খ) যুক্তরাষ্ট্রের
গ) কানাডার
ঘ) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের
Note :

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি, যেটি "অ্যালায়েন্স" নামেও পরিচিত, বিশ্বের ২৮টি বিখ্যাত ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি পাঁচ বছর মেয়াদী সংস্থা, যারা বাংলাদেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের শ্রম নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করবে, এটি রানা ধ্বসের প্লাজার পরে গঠিত হয়।
- সম্মিলিতভাবে, অ্যালায়েন্স সদস্যরা বিশেষত উত্তর আমেরিকার আমদানিকারক, যারা বাংলাদেশের ৭০০+ কারখানা থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে থাকে।
- ইউরোপীয় ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ, সংক্ষেপে যা অ্যাকর্ড নামে পরিচিত।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন