Alliance যে দেশ ভিত্তিক গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলাের সংগঠন

ক) যুক্তরাজ্যের
খ) যুক্তরাষ্ট্রের
গ) কানাডার
ঘ) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি, যেটি "অ্যালায়েন্স" নামেও পরিচিত, বিশ্বের ২৮টি বিখ্যাত ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি পাঁচ বছর মেয়াদী সংস্থা, যারা বাংলাদেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের শ্রম নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করবে, এটি রানা ধ্বসের প্লাজার পরে গঠিত হয়।
- সম্মিলিতভাবে, অ্যালায়েন্স সদস্যরা বিশেষত উত্তর আমেরিকার আমদানিকারক, যারা বাংলাদেশের ৭০০+ কারখানা থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে থাকে।
- ইউরোপীয় ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ, সংক্ষেপে যা অ্যাকর্ড নামে পরিচিত।

Related Questions

ক) $ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
খ) $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
গ) ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ঘ) $ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
Note :

২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৪০.০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি)।

ক) প্রথম স্থান
খ) দ্বিতীয় স্থান
গ) তৃতীয় স্থান
ঘ) চতুর্থ স্থান
Note :

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম World Economic Forum কর্তৃক প্রকাশিত Inclisive Devolopment Index (IDI) এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান দ্বিতীয় । প্রথম স্থানে নেপাল, পাকিস্তান তৃতীয় আর ভারত চতুর্থ।

ক) ১৯৭২ সালে
খ) ১৯৭৩ সালে
গ) ১৯৭৪ সালে
ঘ) ১৯৭৫ সালে
Note :

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। 

ক) $১,৭৫০ মার্কিন ডলার
খ) $১,৬৭৭ মার্কিন ডলার
গ) $১,৭৫২ মার্কিন ডলার
ঘ) $১,৭৫৩ মার্কিন ডলার
Note :

২০১৮ সালে অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি (Per capita GDP nominal) ছিল ১,৬৭৭ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জিএনআই (Per capita GNI) ছিল ১,৭৫২ মার্কিন ডলার.

ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
খ) সিলেট
গ) ময়মনসিংহ
ঘ) টাঙ্গাইল
Note :

বাংলাদেশের অন্যতম উপজাতি গারো। ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায় এদের মূল ঘাঁটি। তাছাড়া শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায়ও গারোরা বাস করে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায় চাকমা, মারমা, মুরং, ত্রিপুরাসহ মোট ১১ টি উপজাতি বাস করে। 

ক) ২ কোটি ১৮ লক্ষ একর
খ) ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
গ) ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
ঘ) ২ কোটি ২১ লক্ষ একর
Note :

বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় ৮৮ লাখ ২৯ হাজার হেক্টর বা ২ কোটি ১৮ লাখ একর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৫৯.৭ শতাংশ। 

বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ১লা মে-তে হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- এই তথ্য কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২২ এবং ভূমি ব্যবহার জরিপ (২০১৯-২০২০) থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BRRI) ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ীও মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- ২০২৪ সালের ১৩ই জুন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জাতীয় সংসদে জানান যে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে দেশের মোট আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৩৫ হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৫৯ শতাংশ।
- ২০২৩ সালের ১৮ই জুন তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সংসদকে জানান যে, দেশের আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ২৬৬ হেক্টর।
- পূর্বে একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিসের তথ্যমতে বর্তমানে বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৭৯.৪৬ লক্ষ হেক্টর উল্লেখ করা হয়েছিল।
- তবে, একাধিক সরকারি উৎস থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য হিসেবে বিবেচিত।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন