Inclusive Development Index (IDI)-এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত?

ক) প্রথম স্থান
খ) দ্বিতীয় স্থান
গ) তৃতীয় স্থান
ঘ) চতুর্থ স্থান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম World Economic Forum কর্তৃক প্রকাশিত Inclisive Devolopment Index (IDI) এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান দ্বিতীয় । প্রথম স্থানে নেপাল, পাকিস্তান তৃতীয় আর ভারত চতুর্থ।

Related Questions

ক) ১৯৭২ সালে
খ) ১৯৭৩ সালে
গ) ১৯৭৪ সালে
ঘ) ১৯৭৫ সালে
Note :

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। 

ক) $১,৭৫০ মার্কিন ডলার
খ) $১,৬৭৭ মার্কিন ডলার
গ) $১,৭৫২ মার্কিন ডলার
ঘ) $১,৭৫৩ মার্কিন ডলার
Note :

২০১৮ সালে অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি (Per capita GDP nominal) ছিল ১,৬৭৭ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জিএনআই (Per capita GNI) ছিল ১,৭৫২ মার্কিন ডলার.

ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
খ) সিলেট
গ) ময়মনসিংহ
ঘ) টাঙ্গাইল
Note :

বাংলাদেশের অন্যতম উপজাতি গারো। ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায় এদের মূল ঘাঁটি। তাছাড়া শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায়ও গারোরা বাস করে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায় চাকমা, মারমা, মুরং, ত্রিপুরাসহ মোট ১১ টি উপজাতি বাস করে। 

ক) ২ কোটি ১৮ লক্ষ একর
খ) ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
গ) ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
ঘ) ২ কোটি ২১ লক্ষ একর
Note :

বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় ৮৮ লাখ ২৯ হাজার হেক্টর বা ২ কোটি ১৮ লাখ একর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৫৯.৭ শতাংশ। 

বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ১লা মে-তে হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
- এই তথ্য কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২২ এবং ভূমি ব্যবহার জরিপ (২০১৯-২০২০) থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BRRI) ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ীও মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
- ২০২৪ সালের ১৩ই জুন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জাতীয় সংসদে জানান যে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে দেশের মোট আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৩৫ হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৫৯ শতাংশ।
- ২০২৩ সালের ১৮ই জুন তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সংসদকে জানান যে, দেশের আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ২৬৬ হেক্টর
- পূর্বে একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিসের তথ্যমতে বর্তমানে বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৭৯.৪৬ লক্ষ হেক্টর উল্লেখ করা হয়েছিল।
- তবে, একাধিক সরকারি উৎস থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য হিসেবে বিবেচিত।

ক) ফরিদপুর
খ) রংপুর
গ) জামালপুর
ঘ) শেরপুর
Note :

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট ফরিদপুর জেলায় উৎপন্ন হয়। এছাড়া ফরিদপুর অঞ্চল পাট উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও একক জেলা হিসেবে ফরিদপুর শীর্ষস্থানে রয়েছে।

ক) সিলেটের বনভুমি
খ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ঘ) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
Note :

- ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য: বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল।
- এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়।
- শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে।
- এ বনভূমিতে শালগাছ প্রধান বৃক্ষ তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধূপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত।
- দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন