বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট ফরিদপুর জেলায় উৎপন্ন হয়। এছাড়া ফরিদপুর অঞ্চল পাট উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও একক জেলা হিসেবে ফরিদপুর শীর্ষস্থানে রয়েছে।
Related Questions
- ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য: বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল।
- এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়।
- শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে।
- এ বনভূমিতে শালগাছ প্রধান বৃক্ষ তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধূপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত।
- দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।
১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের আদেশে ১ম বঙ্গভঙ্গ সম্পন্ন হয়। কিন্তু ১৯১১ সালে, প্রচণ্ড গণআন্দোলনের ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ রহিত হয়।
দ্বিতীয়বার বঙ্গভঙ্গ হয় ১৯৪৭ সালে। এ সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। এর ফলে পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানে এবং পশ্চিমবঙ্গ ভারতে যুক্ত হয়। এই পূর্ববঙ্গই পরবর্তীকালে পাকিস্তানের কাছ থেকে এক রক্তক্ষয়ী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে ও বাংলাদেশ নামক একটি নতুন রাষ্ট্রের সৃষ্টি করে।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি যুক্ত করা হয়।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ‘ভেটো’ প্রদান করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)।
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম আসে পর্তুগিজরা। ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
বাংলায় ফরাসীরা আসে ১৬৭৪ সালে।
ওলন্দাজদের আগমন ঘটে ১৬৫৩ সালে।
প্রাচীন বাংলায় মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। তিনি ৩২৪ থেকে ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে মৌর্য সাম্রাজ্য ও বাংলায় এই শাসন শুরু করেন।
জব সলুশন