ওহমের সূত্র প্রযোজ্য হওয়ার জন্য
ক) উষ্ণতা অপরিবর্তিত থাকা উচিত
খ) উষ্ণতা কমানো উচিত
গ) উষ্ণতা বৃদ্ধি করা উচিত
ঘ) কোনটিই সত্য নয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ওহমের সূত্রটি কেবল তখনই কার্যকর থাকে যখন পরিবাহীর তাপমাত্রা বা উষ্ণতা এবং অন্যান্য ভৌত অবস্থা স্থির বা অপরিবর্তিত থাকে কারণ তাপমাত্রা বদলালে রোধের মান বদলে যায়।
Related Questions
ক) P = VI
খ) I^2R
গ) V = RI
ঘ) P = V^2/R
Note : জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী জর্জ সাইমন ওহমের সূত্রানুসারে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য (V) এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের (I) সমানুপাতিক। সমীকরণটি হলো V = IR বা V = RI।
ক) ওয়াট
খ) কুলম্ব
গ) অ্যাম্পিয়ার
ঘ) ওহম
Note : পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় তাকে রোধ বলে। রোধের এসআই (SI) একক হলো ওহম (Ω)।
ক) ভোল্ট
খ) অ্যাম্পিয়ার
গ) জুল
ঘ) ওয়াট
Note : আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে (SI) বিদ্যুৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার (A)। ভোল্ট হলো বিভব পার্থক্যের একক জুল শক্তির একক এবং ওয়াট ক্ষমতার একক।
ক) প্রোটনের প্রবাহ
খ) ইলেকট্রনের প্রবাহ
গ) নিউট্রনের প্রবাহ
ঘ) পজিট্রনের প্রবাহ
Note : ধাতব পরিবাহীর মধ্য দিয়ে মুক্ত ইলেকট্রনের নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহই হলো তড়িৎ কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ। প্রোটন বা নিউট্রন নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে তাই তারা প্রবাহিত হয় না।
ক) ১১০ ভোল্ট এ.সি
খ) ১১০ ভোল্ট ডি.সি
গ) ২২০ ভোল্ট এ.সি
ঘ) ২২০ ভোল্ট ডি.সি
Note : বাংলাদেশে গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ভোল্টেজ মান ২২০ ভোল্ট এবং এটি দিক পরিবর্তনকারী প্রবাহ বা অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC)। উন্নত বিশ্বে অনেক জায়গায় ১১০ ভোল্ট ব্যবহার করা হয়।
ক) বৈদ্যুতিক প্রবাহের পরিমাণ
খ) বৈদ্যুতিক চাপের পরিমাণ
গ) বৈদ্যুতিক ফ্রিকুয়েন্সির পরিমাণ
ঘ) একদিনের বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ
Note : ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্যকে সাধারণ ভাষায় বৈদ্যুতিক চাপ বা 'Electrical Pressure' বলা হয় যা পরিবাহীর ইলেকট্রনগুলোকে প্রবাহিত হতে বাধ্য করে।
জব সলুশন