বিদ্যুৎ প্রবাহের একক-
ক) ভোল্ট
খ) অ্যাম্পিয়ার
গ) জুল
ঘ) ওয়াট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে (SI) বিদ্যুৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার (A)। ভোল্ট হলো বিভব পার্থক্যের একক জুল শক্তির একক এবং ওয়াট ক্ষমতার একক।
Related Questions
ক) প্রোটনের প্রবাহ
খ) ইলেকট্রনের প্রবাহ
গ) নিউট্রনের প্রবাহ
ঘ) পজিট্রনের প্রবাহ
Note : ধাতব পরিবাহীর মধ্য দিয়ে মুক্ত ইলেকট্রনের নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহই হলো তড়িৎ কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ। প্রোটন বা নিউট্রন নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে তাই তারা প্রবাহিত হয় না।
ক) ১১০ ভোল্ট এ.সি
খ) ১১০ ভোল্ট ডি.সি
গ) ২২০ ভোল্ট এ.সি
ঘ) ২২০ ভোল্ট ডি.সি
Note : বাংলাদেশে গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ভোল্টেজ মান ২২০ ভোল্ট এবং এটি দিক পরিবর্তনকারী প্রবাহ বা অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC)। উন্নত বিশ্বে অনেক জায়গায় ১১০ ভোল্ট ব্যবহার করা হয়।
ক) বৈদ্যুতিক প্রবাহের পরিমাণ
খ) বৈদ্যুতিক চাপের পরিমাণ
গ) বৈদ্যুতিক ফ্রিকুয়েন্সির পরিমাণ
ঘ) একদিনের বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ
Note : ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্যকে সাধারণ ভাষায় বৈদ্যুতিক চাপ বা 'Electrical Pressure' বলা হয় যা পরিবাহীর ইলেকট্রনগুলোকে প্রবাহিত হতে বাধ্য করে।
ক) নিউটন-কুলম্ব
খ) নিউটন/কুলম্ব
গ) ডাইন/ই.এস.ইউ চার্জ
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : তড়িৎ প্রাবল্য (E) হলো একক ধনাত্মক আধানের ওপর ক্রিয়াশীল বল (F)। গাণিতিকভাবে E = F/q। তাই এর একক হলো বলের একক (নিউটন) ভাগ আধানের একক (কুলম্ব) অর্থাৎ নিউটন/কুলম্ব (N/C)।
ক) অ্যামিটার
খ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
গ) ভোল্টমিটার
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
Note : তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বা ইলেকট্রোস্কোপের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধান বা চার্জ আছে কি না তা নির্ণয় করা যায়। অন্যদিকে অ্যামিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ এবং ভোল্টমিটার দিয়ে বিভব পার্থক্য মাপা হয়।
ক) human disease
খ) human evolution
গ) human race its origin and development
ঘ) literature
Note : Anthropology শব্দটি মূলত মানবজাতি বা Human race-এর উৎপত্তি ক্রমবিকাশ ও আচরণের অধ্যয়নের সাথে সম্পর্কিত।
জব সলুশন