আশীবিষ’ কোন সমাসের উদাহরণ ?
‘আশীবিষ’ শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের (বিশেষ করে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস) একটি অন্যতম উদাহরণ।
ব্যাসবাক্য: আশীতে (দাঁতে) বিষ যার
সমাস নির্ণয়: বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা: এখানে 'আশী' অর্থ দাঁত এবং 'বিষ' অর্থ বিষ। সমাসবদ্ধ হওয়ার পর এটি অন্য একটি অর্থ অর্থাৎ ‘সাপ’ (যার দাঁতে বিষ থাকে)-কে নির্দেশ করে। যেহেতু সমস্যমান পদ দুটির কোনোটিই প্রধান না হয়ে অন্য পদকে নির্দেশ করছে, তাই এটি বহুব্রীহি।
Related Questions
ব্যাঙের আধুলি এবং ব্যাঙের সর্দি বাগধারা দুটির অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদের অর্থ নিচে দেওয়া হলো:
ব্যাঙের আধুলি: এর অর্থ হলো অসম্ভব ঘটনা বা অসম্ভব বস্তু।
ব্যাঙের সর্দি: এর অর্থ হলো অসম্ভব ব্যাপার বা অসম্ভব কল্পনা।
রাবণের চিতা বাগধারাটির যথোপযুক্ত অর্থ হলো চির অশান্তি। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, লঙ্কার রাজা রাবণের চিতা যেমন সবসময় জ্বলতে থাকত এবং কখনও নিভত না,ঠিক তেমনিভাবে যে অশান্তি বা যন্ত্রণা মানুষের মন থেকে কখনও দূর হয় না, তাকেই রাবণের চিতা বলা হয় |
মুহূর্ত বানানটি শুদ্ধ। মুহূর্ত (ম, হ-এ হ্রস্ব উকার, র-এ দীর্ঘ উকার, ত-রেফ)। হ-এর নিচে বা মাঝে অন্য কোনো বর্ণ যুক্ত হয় না এবং র-এর সাথে সবসময় দীর্ঘ উকার (ূ) বসে।
একটি আদর্শ বা ব্যক্তিগত পত্রের প্রধান অংশ হলো দুটি। যথা: ১. গর্ভ বা মূলপত্র এবং ২. শিরোভাগ ও সমাপ্তি
বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তিনি ১৮৪৭ সালে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের মাধ্যমে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন । বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছিলেন । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলাগদ্যের 'প্রথম শিপ্লী' হিসেবে অভিহিত করেছেন ।
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ (১৩৮৯-১৪১০/৭৯২-৮১৩ হিজরি) বাংলার প্রথম ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান।
- সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ নিজে বিদ্বান ও কবি ছিলেন।
- তিনি বিদ্বান লোকদের খুব সমাদর করতেন। মাঝে মাঝে তিনি আরবি ও ফারসি ভাষায় কবিতা লিখতেন।
- পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপ ছিল।
- একবার তিনি হাফিজের নিকট কবিতার একটি চরণ লিখে পাঠান এবং কবিতাটিকে পূর্ণ করার জন্য কবিকে অনুরোধ জানান।
- তিনি তাঁকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানান। হাফিজ দ্বিতীয় চরণটি রচনা করে কবিতাটি পূর্ণ করে পাঠান।
- তিনি সুলতানের নিকট একটি গজলও লিখে পাঠান।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ বাংলা সাহিত্যের উন্নতির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট অবদান রাখেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন।
- সম্ভবত সুলতান কৃত্তিবাসকেও বাংলায় রামায়ণ লেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
- বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য গিয়াসউদ্দীন বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো যে, তাঁর সময় হিন্দুরা তাঁর দরবারে বেশ প্রাধান্য লাভ করে ছিল। এর ফলে ভাতুরিয়ার (দিনাজপুর জেলায়) জমিদার রাজা গণেশের উত্থান ঘটে।
- ১৪১০ খ্রিস্টাব্দে (৮১৩ হিজরি) গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ এর মৃত্যু হয়
জব সলুশন