নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ ?
মুহূর্ত বানানটি শুদ্ধ। মুহূর্ত (ম, হ-এ হ্রস্ব উকার, র-এ দীর্ঘ উকার, ত-রেফ)। হ-এর নিচে বা মাঝে অন্য কোনো বর্ণ যুক্ত হয় না এবং র-এর সাথে সবসময় দীর্ঘ উকার (ূ) বসে।
Related Questions
একটি আদর্শ বা ব্যক্তিগত পত্রের প্রধান অংশ হলো দুটি। যথা: ১. গর্ভ বা মূলপত্র এবং ২. শিরোভাগ ও সমাপ্তি
বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তিনি ১৮৪৭ সালে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের মাধ্যমে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন । বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছিলেন । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলাগদ্যের 'প্রথম শিপ্লী' হিসেবে অভিহিত করেছেন ।
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ (১৩৮৯-১৪১০/৭৯২-৮১৩ হিজরি) বাংলার প্রথম ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান।
- সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ নিজে বিদ্বান ও কবি ছিলেন।
- তিনি বিদ্বান লোকদের খুব সমাদর করতেন। মাঝে মাঝে তিনি আরবি ও ফারসি ভাষায় কবিতা লিখতেন।
- পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপ ছিল।
- একবার তিনি হাফিজের নিকট কবিতার একটি চরণ লিখে পাঠান এবং কবিতাটিকে পূর্ণ করার জন্য কবিকে অনুরোধ জানান।
- তিনি তাঁকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানান। হাফিজ দ্বিতীয় চরণটি রচনা করে কবিতাটি পূর্ণ করে পাঠান।
- তিনি সুলতানের নিকট একটি গজলও লিখে পাঠান।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ বাংলা সাহিত্যের উন্নতির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট অবদান রাখেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন।
- সম্ভবত সুলতান কৃত্তিবাসকেও বাংলায় রামায়ণ লেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
- বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য গিয়াসউদ্দীন বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো যে, তাঁর সময় হিন্দুরা তাঁর দরবারে বেশ প্রাধান্য লাভ করে ছিল। এর ফলে ভাতুরিয়ার (দিনাজপুর জেলায়) জমিদার রাজা গণেশের উত্থান ঘটে।
- ১৪১০ খ্রিস্টাব্দে (৮১৩ হিজরি) গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ এর মৃত্যু হয়
‘বুনো’ কোন ভাষারীতির শব্দ- চলিত ভাষা
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা প্রাপ্ত স্থপতি ও পুরকৌশলী হলেন ফজলুর রহমান খান (এফ আর খান)। তিনি শিকাগোর বিখ্যাত সিয়ার্স টাওয়ার ও জন হ্যানকক সেন্টারের মতো আকাশচুম্বী ভবনের নকশা করে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি ও অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেন।
ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় আগত শব্দ- কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরা ।
জব সলুশন