টপিকঃ প্রাইমারি প্রশ্ন ব্যাংক
1.
...কোনটি শুদ্ধ বানান?
- সঠিক বানান 'নিরহংকার'।
- "নিরহংকার" শব্দটি একটি বিশেষণ। এর অর্থ হলো "অহংকারহীন, অহংকারশূন্য।"
- এই শব্দটিতে "অ" একটি কৃৎ প্রত্যয়, যা অভাব বোঝায়। "হংকার" একটি মূল শব্দ, যার অর্থ হলো "অহংকার।"
2.
'দিন যায় কথা থাকে'- এখানে 'যায়' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
এখানে 'যায়' শব্দটি অতিবাহিত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
এই বাক্যে 'দিন' বলতে সময়কে বুঝানো হয়েছে। সময় তো চলে যায়, কিন্তু ঐ সময়ে বলা কথাগুলো থেকে যায়।
3.
'অর্বাচীন'এর বিপরীতার্থক শব্দ -----
অর্বাচীন শব্দের অর্থ নবীন, আধুনিক, অপ্রবীণ। সুতরাং অর্বাচীন - এর বিপরীত শব্দ প্রাচীন।
4.
. কোন বানানটি শুদ্ধ?
বিভীষিকা - [বিশেষ্য পদ] ভয়জনক দৃশ্য, ভয়প্রদর্শন, ভীষণ ভয়, আতঙ্ক।
5.
কি "সাহসে" ওখানে গেলে? ---বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
কর্তা যা করে, অর্থাৎ যাকে আশ্রয় করেই কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। বাক্যে সাহস কর্মকারক এবং 'এ' বিভক্তি যোগ হওয়ায় সপ্তমী বিভক্তি চিহ্ন। কাজেই সঠিক উত্তর কর্মের সপ্তমী।
6.
মোড়ক' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হবে ---
'মোড়ক' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হবে - মুড় + অক
7.
কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ?
অব্যয়ীভাব সমাস:পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। সামীপ্য, অভাব, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন:
পর্যন্ত (আ) অর্থে - পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক।
8.
'অন্ধকার'এর সমার্থক শব্দ নয় -----
'কাজল' এর সমার্থক শব্দ: অঞ্জন, সুরমা, মসি। আর 'অন্ধকার' এর সমার্থক শব্দ: আঁধার, তিমির, অমানিশা, তমসা, তম, তমিস্র।
9.
"আজকে" নগদ কালকে ধার ---বাক্য নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
" 'আজকে' নগদ কালকে ধার " বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি অধিকরণ কারকে ২য়া বিভক্তি।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
অধিকরণ কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি হলো যেমন: মন আমার নাচে রে আজিকে।
10.
'হজ্জযাত্রা' কোন সমাসের উদাহরণ?
চতুর্থী তৎপুরুষ : ব্যাসবাক্যের মাঝে "জন্যে" "নিমিত্ত" আর বাক্যের প্রথম শব্দের শেষে "র" থাকবে তখন চতুর্থী। যেমন: বিয়ের জন্যে পাগল = বিয়েপাগল হজ্জের জন্যে যাত্রা = হজ্জযাত্রা বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি
11.
'মনস্তাপ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ----
মনস্তাপ এর সন্ধি বিচ্ছেদ - মনঃ + তাপ । বিসর্গের পর অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিসধ্বনি হয় , অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘোষ মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিসধ্বনি হয় ,অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘোষ মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জনের স্থলে দন্ত্য শিসধ্বনি হয় ।
12.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
বাংলা শব্দের শুরুতে ঊ - কারের ব্যবহার অনেক কম। তাই বানান মনে রাখার ক্ষেত্রে ঊ - কার যুক্ত শব্দ মনে রাখাই শ্রেয়। এক্ষেত্রে দু - একটি সূত্র: ১. বাংলা শব্দের প্রথম বর্ণে, খ ঙ ছ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ থ ফ ষ এই ব্যঞ্জন গুলোর ওকার যুক্ত ব্যবহার দেখা যায় না। ২. শব্দের শেষে থাকলে তার অব্যবহৃত পূর্ববর্তী বর্ণের ঊ হয়। যেমন: রূঢ় গূঢ়।
13.
আকাশ'এর সমার্থক শব্দ নয় ----
আকাশ' এর সমার্থক শব্দ - অম্বর, গগন, নভ, অন্তরীক্ষ। ভুবন এর সমার্থক শব্দ - বিশ্বজগৎ, পৃথিবী, আবাস, দেশ।
14.
‘তাজা মাছ’ কোন বিশেষণ?
যে বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষিত করে, তাকে নাম বিশেষণ বলে। যেমন: তাজা মাছ। প্রদত্ত উদাহরণে অবস্থাবাচক বিশেষণ ‘তাজা’ দ্বারা জাতিবাচক বিশেষ্য ‘মাছ’ এর অবস্থা বোঝানো হয়েছে। অবস্থাবাচক বিশেষণের উদাহরণ: রোগা ছেলে। খোঁড়া পা।
15.
নিচের কোনটি নিত্য সমাস?
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকেই বলে নিত্য সমাস।
- যেমন: অন্য দেশ = দেশান্তর। পঞ্চ নদীর সমাহার = পঞ্চনদ (দ্বিগু); নেই আদব যার = বেয়াদব (নঞ্ বহুব্রীহি); ভালো ও মন্দ = ভালোমন্দ (দ্বন্দ্ব)।
16.
'উল্লাস' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -
উৎস + লাস = উল্লাস। এরূপ আরো কয়েকটি সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে: উল্লেখ, উল্লেখিত।
17.
"প্রভাতে"উদিল রবি লোহিত বরণ ---বাক্য নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
কোথায় কোন স্থানে কখন কোন সময়ে কবে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। বাক্যটিতে 'প্রভাতে' দ্বারা ক্রিয়া সময় উল্লেখ করা হয়েছে তাই এটি অধিকরণ কারক এবং শব্দটিতে 'তে' থাকায় সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
18.
বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
সঠিক উত্তর সুগন্ধি
বহুব্রীহি সমাস চেনার উপায় হলো এই সমাসে সমস্যমান পদ গুলোর কোনটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদের অর্থ প্রাধান্য পায়। ব্যাসবাক্য যে, যিনি, যার প্রভৃতি শব্দ থাকে।
19.
'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ ---
ঢাকের কাঠি একটি বাগধারা।প্রদত্ত বাগধারাটির অর্থ - তোষামুদে/ চাটুকার। যেমন: তুমি তো বড় সাহেবের ঢাকের কাঠি,তিনি যা বলেন,তুমি তাই বলো।
20.
"পড়াশোনায়" মন দাও ---বাক্য নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক্রিয়াপদকে ধরে কোথায় কোন স্থানে কখন কোন সময় কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে এই প্রকার প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। এখানে 'পড়াশোনায় মন দাও' বাক্যে 'কোথায় বা কোন বিষয়ে মন দাও? এর উত্তরে পাওয়া যাবে 'পড়াশোনায়'। সুতরাং এটি অধিকরণ কারক। আবার এটির সাথে 'য়' থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
21.
কোনটি শুদ্ধ বানান?,
শুদ্ধ বানান অভ্যন্তরীণ ।
অভ্যন্তর, অভ্যন্তরীণ, আভ্যন্তর, আভ্যন্তরিক শুদ্ধ বানান । সুতরাং এখানে 'অভ্যন্তরীণ' সঠিক উত্তর ।
22.
কোনটি শুদ্ধ বানান?.....
সঠিক বানান: শুশ্রুষা। শ্রুশ্রূষা শব্দের অর্থ - পরিষেবা, উপচর্যা। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ।
23.
কোন বানানটি শুদ্ধ?.....
সঠিক বানান - পাষাণ। যার মানে নিষ্ঠুর, দয়ামায়াহীন।
24.
কোনটি শুদ্ধ বানান?,.
গৃহিণী - [বিশেষ্য পদ] গৃহকর্ত্রী, গিন্নী, পত্নী, ভার্যা। [গৃহ + ইন্ + ঈ]। ,
25.
কাঁদুনি'শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হবে ---
সন্ধিতে দুটি সন্নিহিত স্বরের একটির লোপ হয় । যেমন - মিথ্যা + উক = মিথ্যুক , কাঁদ + উনি = কাঁদুনি ।
26.
যা কষ্টে লাভ করা যায় ----
”যা কষ্টে লাভ করা যায়” তাকে এক কথায় বলে - দুর্লভ।
27.
'বৈঠক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে ---
'বৈঠক' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে - বৈঠ + ক = বৈঠক।
28.
'মুক্ত'এর বিপরীতার্থক শব্দ ----
'মুক্ত' এর সমার্থক শব্দ: খোলা, অবারিত, অবাধ, উন্মুক্ত, স্বাধীন, মুক্তি, বাহির। এর বিপরীত শব্দ: বন্দী, বদ্ধ।
29.
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
নদী শব্দের সমার্থক শব্দ - তটিনী, তরঙ্গিনী, দরিয়া, প্রবাহিণী, সরিৎ প্রভৃতি। অপরদিকে বারিধি এর সমার্থক শব্দ - সমুদ্র, উদক শব্দের সমার্থক শব্দ - পানি প্রভৃতি।
30.
ইতি' শব্দের প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
'ইতি' শব্দের প্রতিশব্দ হলো - শেষ, খতম, অবসান, বিরাম, প্রভৃতি। বরেণ্য এর প্রতিশব্দ হলো - বরণীয়, মান্য, শ্রেণি, উৎকৃষ্ট, প্রার্থনীয়। কাজেই ইতির প্রতিশব্দ নয় 'বরেণ্য'।
31.
'মনীষা'---এর সন্ধি -বিচ্ছেদ -----
বাংলা ব্যাকরণে এমন কিছু সন্ধি রয়েছে যেগুলাে নিয়মবহির্ভূত, কিন্তু প্রচলিত। এদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। মনীষা নিপাতনে সিদ্ধ। যেমন আ + চর্য = আশ্চর্য, বৃহৎ + প্রতি বৃহস্পতি; মনস + ঈষা = মনীষা; ষট + দশ = ষােড়শ ইত্যাদি।
32.
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণ কয়টি?
মাত্রাহীন - ১০ টি।
স্বরবর্ণ ৪টি ( এ,ঐ,ও,ঔ)। ব্যঞ্জনবর্গ ৬টি (ঙ,ঞ,ৎ,ং,ঃ)
অর্ধমাত্রা - ৮টি। স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) । ব্যঞ্জনবর্গ ৭টি ( খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ)।
বাংলা বর্ণমালা মোট ৫০ টি। তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯।
পূর্ণ মাত্রা - ৩২ টি। স্বরবর্ণ ৬টি ব্যঞ্জনবর্গ ২৬টি।
বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি - ৬টি।
কোন বর্ণগুলোতে মাত্রা হবে না -।এ এবং ঐ।
বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ।
বর্গের তৃতীয়,চতুর্থ, এবং পঞ্চম বর্ণ ঘোষ।
বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ।
বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ।
33.
'শিরে-সংক্রান্তি' --অর্থ কী?
'শিরে - সংক্রান্তি' বাগধারাটির অর্থ আসন্ন বিপদ।
শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির অর্থ - আসন্ন বিপদ ও উপস্থিত মহাবিপদ।
শিরঃপীড়া - শব্দের অর্থ মাথার যন্ত্রণা, মাথা ধরা।
34.
'তাসের ঘর' - অর্থ কী?
বক্তব্য বিষয়কে সৌন্দর্যমন্ডিত করার জন্য ভাষায় ব্যবহৃত বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছকে বাগধারা বলে।
বাগধারার উদ্দেশ্য এক বা একাধিক পদের মিলনে কোন অর্থ প্রকাশ করে। যেমন— তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী), তুলসী বনের বাঘ (ভন্ড)।
35.
"হাতের" কাজ দেখাও ---বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
বাক্যের ক্রিয়াকে কি উপায় বা কিসের দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর যা পাওয়া যায় তাকে করণ কারক বলে। এখানে প্রশ্নটিই হচ্ছে - কি দ্বারা কাজ? উত্তরে হাতের দ্বারা কাজ। তাই 'হাতের' করণ কারক এবং শব্দের শেষে 'র' থাকায় তা ষষ্ঠী বিভক্তি।
36.
'পর্বত'এর সমার্থক শব্দ নয় ----
পর্বত এর সমার্থক শব্দ - পাহাড়, অচল, গিরি, শৈল, ভূধর, অদ্রি, মহীধর।
শিলা শব্দের সমার্থক শব্দ - পাথর, প্রস্তর, পাষাণ, উপল, মনি।
37.
'লবণ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ----
স্বরবর্ণ পড়ে থাকলে 'এ' কারের স্থানে 'অয়', ঐ - কারের স্থানে আয়, ও - কারের স্থানে অব, এবং ঐ - কারের স্থানে 'আব' হয়। ও + অ = অব + অ অর্থাৎ লো + অন = লবণ।
38.
‘অনির্বচনীয়’ শব্দের অর্থ-
'অনিবচনীয়’ শব্দের অর্থ - অনন্য /বিশেষ্য পদ/ অন্যের সহিত সম্বন্ধ বর্জিত। অভিন্ন, অদ্বিতীয়, একমাত্র; অনুপম।
সম্পর্কিত শব্দ:
অননুকরণীয়, অননুমত, অননুমেয়, অননুশীলন ।
39.
কোনটি শুদ্ধ বানান?.
ঋ, র, ষ - এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য়, ব, হ এবং ক বর্গীয় ও প বর্গীয় থাকলে পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন: গৃহিণী।
40.
'উচ্ছ্বাস' শব্দটির প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
উচ্ছ্বাস শব্দের প্রতিশব্দ গুলো হল - প্রবল ভাবাবেগ, উল্লাস, বিকাশ, স্ফূরণ, নিঃশ্বাস ইত্যাদি। উদ্ভাসিত অর্থ উন্মোচিত, বিকশিত।
41.
কোনটি শুদ্ধ বানান?...
সঠিক বানান - বাল্মীকি। বাল্মীকি শব্দের অর্থ - রামায়ণকার, ভারতের আদি কবি, মহাতপা ঋষি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ।
42.
'অলীক' এর বিপরীত শব্দ -
কিছু বিপরীত শব্দ: অলীক → বাস্তব/সত্য; মিথ্যা → সত্যি; অলৌকিক →লৌকিক।
43.
'অনুগ্রহ'এর বিপরীতার্থক শব্দ -----
- অনুগ্রহ অর্থ- দয়া, কৃপা, করুণা, সহায়তা প্রভৃতি। এর বিপরীত শব্দ নিগ্রহ।
44.
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম কি?
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম সমস্যমান পদ।
সমাস এর পরিভাষা পাঁচটি। সমস্যমান পদ, ব্যাসবাক্য, সমস্তপদ, পূর্বপদ, পরপদ। সমাস যুক্তপ্রদেশ প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে। সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে। সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কে ভাঙলে যে বাক্য পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য।
45.
‘কার্যে বিরতি’ অর্থে কোন বাগধারাটি প্রযোজ্য?
শব্দের প্রয়োগভেদে অর্থ বিভিন্ন ধরনের হয়। যেমন:
* হাত আসা ( দক্ষতা),
* হাত গুটানো ( কার্যে বিরতি),
* হাত ধরা ( আয়ত্তে আসা),
* হাত ছাড়া ( হস্তচু্ত),
* হাত থাকা ( প্রভাব),
* হাতের পাঁচ ( শেষ সম্বল) ইত্যাদি।
46.
'দুশ্চরিত্র' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ----
বিসর্গের পরে চ /ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে “শ” আর ট/থ থাকলে স হয়, যেমন - দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র।
47.
কোন বানানটি শুদ্ধ?,,,
বিভীষিকা - [বিশেষ্য পদ] ভয়জনক দৃশ্য, ভয়প্রদর্শন, ভীষণ ভয়, আতঙ্ক।
48.
"আমাকে"যেতে হবে। ---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
কাজটি যে করে সেই কর্তৃকারক। অপরের অধীনে না হয়ে নিচে ক্রিয়া সম্পাদন করলে সেই হয় কর্তা। কর্তৃ কারক নির্ণয়ের জন্য প্রশ্ন হচ্ছে 'কে বা কারা'? যেমন: আমাকে যেতে হবে। কাকে যেতে হবে? 'আমাকে'। এখানে আমাকে কর্তৃকারক। দ্বিতীয় বিভক্তি চিহ্ন কে, রে, । কাজেই কর্তায় ২য়া বিভক্তি।
49.
"চোখ দিয়ে"জল পড়ে। ---বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
অপাদান কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াপদ ধরে কোথা থেকে কি থেকে কিসের থেকে এসব প্রশ্ন করতে হয় এবং তার উত্তরে অপাদান কারক জানতে পারা যায়। যেমন - চোখ দিয়ে জল পড়ে। কোথা থেকে বা দিয়ে - চোখ দিয়ে। কাজেই এটি অপাদান কারক এবং দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক বিভক্তি চিহ্ন থাকায় এটি তৃতীয় বিভক্তি।
50.
'মনীষা' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
কিছু সন্ধি আছে যাদেরকে কোনো নিয়মে ফেলা যায় না। সেসব সন্ধিকে বলা হয় নিপাতনে সিন্ধ সন্ধি। ‘মনীষা’ নিপাতনে সিন্ধ সন্ধি। এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘মনস + ঈষা’। এরূপ আরও কিছু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো: কুলটা + কুল + অটা, গবাক্ষ = গো + অক্ষ, সীমান্ত = সীমা + - অন্ত।