টপিকঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত
1.
রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক রচনা কোনটি?
বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি মাইকেল মমধুসূদন দত্ত রচিত "ব্রজাঙ্গনা কাব্যগ্রন্থতটি রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক একটি রচনা। মিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এ কাব্যগ্রন্থ ওড (Ode) জাতীয় গীতিকবিতা স্থান পেয়েছে।
2.
'অলীক কুনাট্য রঙ্গে, মজে লোক রাঢ়ে ও বঙ্গে'- কার উক্তি?
"অলীক কুনাট্য রঙ্গে, মজে লোক রাঢ়ে ও বঙ্গে" - উক্তিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের। এটি তার প্রস্তাবনা কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবনা কবিতাটি "শর্মিষ্ঠা " নাটকের অন্তর্গত। নাটকটি ১৮৫৯ সালে রচিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক।
3.
'বঙ্গভাষা' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
বঙ্গভাষা - কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।
প্রতিটি চরণে ১৪ মাত্রায় দুটি পর্ব।
প্রথম পর্ব ৮ মাত্রার ও দ্বিতীয় পর্ব ৬ মাত্রার।
হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;
তা সবে, ( অবোধ আমি ) অবহেলা করি,
4. 'বঙ্গভাষা' কবিতা রচয়িতা কে?
6. 'দি ক্যাপটিভ লেডি' (The Captive Ladie) কাব্যটি লিখেছেন-
7. সতত হে নদ, তুমি পড় মোর মনে। সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে।- চরণ দুটির কবি কে?
8. বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রথম ব্যবহৃত হয়-
9. মাতৃভাষা- রূপ খনি পূর্ণ মণিজালে- 'মণিজাল' শব্দের অর্থ-
10. কেলিনু শৈবালে, ভুলি কমল-কানন। এখানে কমল-কানন শব্দের ব্যঞ্জনার্থ-
11. 'বঙ্গভাষা' কবিতায় কবির বক্তব্য-
12.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি?
মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান 'তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্যগ্রন্থে। তার রচিত' মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং 'বীরঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম পত্রকাব্য। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'বেতালপঞ্চবিংশতি' হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসীর' অনুবাদ' বিদ্যাসাগর এই গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতি - চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন।
13. 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতাটি কে লিখেছেন?
14.
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কাব্যাংশটুকু 'মেঘনাদবধ কাব্য'র কোন সর্গ থেকে নেওয়া হয়েছে?
সঠিক উত্তরটি হলো ষষ্ঠ।
বিশদ ব্যাখ্যা:
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কাব্যাংশটুকু মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'মেঘনাদবধ কাব্য'র ষষ্ঠ সর্গ থেকে সংকলিত হয়েছে। এই সর্গটির নাম 'বধ' (Badh/Killing)। এই সর্গে লক্ষ্মণ কর্তৃক নিরস্ত্র মেঘনাদকে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে বধ করার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে, যেখানে মেঘনাদ ও তার চাচা বিভীষণের মধ্যে যে কথোপকথন হয়, সেটিই পাঠ্যবইয়ে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' নামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
15. মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি যশোর জেলার কোন উপজেলায়?
16. মধুসূদন দত্ত যে সাহিত্য রচনা করে অমর হয়ে রয়েছেন তা হলো-
17. 'সেই ধন্য নরকুলে, লোকে যারে নাহি ভুলে'..... পঙ্ক্তিটি কার?
18.
প্রথম সার্থক বাংলা নাটক-
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক শর্মিষ্ঠা। নাটকটি ১৮৫৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় । এটি মধসূদন রচিত ও প্রকাশিত প্রথম বাংলা গ্রন্থ ।
- পদ্মাবতী ১৮৬০ , কৃষ্ণকুমারী ১৮৬১ মধুসূদনের রচিত নাটক ।
- দীনবন্ধু মিত্রের রচিত নীল দর্পণ নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ ।
19. মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' ইংরেজিতে প্রথম অনুবাদ করেন কে?
23. হে বঙ্গ ... তব বিবিধ রতন -বাক্যের শূন্যস্থানে কোন শব্দটি প্রযোজ্য?
24. ওরে বাছা মাতৃকোষে রতনের রাজি, এ ভিখারী দশা তবে কেন তোর আজি- এ পঙ্ক্তিদ্বয় কোন কবিতার অন্তর্গত?
25.
নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?
মহাকবি কায়কোবাদ এর অশ্রুমালা
27.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঐতিহাসিক নাটক কোনটি?
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঐতিহাসিক নাটক ' সাজাহান' (প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে) । বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকগুলো হলো - 'সিরাজদ্দৌলা ' (১৯০৫) , 'মীর কাসিম' (১৯০৬) , 'ছত্রপতি শিবাজী '(১৯০৭) , 'তারাবাঈ' (১৯০৩) ,'নূরজাহান ' (১৯০৮) , 'চন্দ্রগুপ্ত' (১৯১১) , 'সিংহল বিজয়' (১৯১৬) ইত্যাদি।
29. 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতাংশে 'বাসবত্রাস' বলা হয়েছে-
30. মাইকেল মধুসূদন দত্ত যে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন-
31. মজিনু বিফল তপে অবরণ্যে বরি- এ চরণের 'বিফল তপে' বলতে প্রকৃত অর্থে বোঝানো হয়েছে-
32.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক কোনটি?
বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের যাদুকর মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটকগুলো হলো - শর্মিষ্ঠা (১৮৫৮), পদ্মবতী (১৮৬০), কৃষ্ণকুমারি (১৮৬১), মায়াকানন (১৮৭৪) প্রভৃতি। অন্যদিকে, ‘ভদ্রার্জুন’ তারাচরণ শিকদার রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক। ‘শকুন্তলা’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত কালিদাসের ‘অভিজ্ঞান’ শকুন্তলম’ নাটকের বঙ্গানুবাদ এবং ‘রাবণ বধ’ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার রচিত নাটক।
33.
হায়রে কোথা সে বিদ্যা, যে বিদ্যা বলে দূরে থাকি পার্থরথী তোমার চরণে।- উদ্ধৃত চরণ দুটির কবি কে?
উদ্ধৃত চরণ দুটির কবি হলেন ** মাইকেল মধুসূদন দত্ত**, যা তাঁর বিখ্যাত 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'র একটি সনেট থেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তিনি দ্রোণাচার্যের কাছে সেই বিদ্যা চেয়েছেন যা অর্জুনকে রক্ষা করতে পারত।
35.
'বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ' প্রহসনটির রচয়িতা কে?
'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' - - মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা।
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ – ২৯ জুন ১৮৭৩) ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা।
মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য।
তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি হলো দ্য ক্যাপটিভ লেডি, শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী (নাটক), পদ্মাবতী (নাটক), বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, একেই কি বলে সভ্যতা, তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য, ব্রজাঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশপদী কবিতাবলী, হেকটর বধ ইত্যাদি। মাইকেলের ব্যক্তিগত জীবন ছিল নাটকীয় এবং বেদনাঘন। মাত্র ৪৯ বছর বয়সে কলকাতায় মৃত্যু হয় এই মহাকবির।
38. পালিলাম আজ্ঞাসুখে, পাইলাম কালে- কে পেয়েছিলেন?
39.
'যে ডরে, ভীরু সে মূঢ়; শতধিক্ তারে!' উক্তিটি কোন কবিতার অংশ?
সঠিক উত্তর হলো B. সমুদ্রের প্রতি রাবণ।
ব্যাখ্যা:
'যে ডরে, ভীরু সে মূঢ়; শতধিক্ তারে!'—এই বিখ্যাত উক্তিটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘সমুদ্রের প্রতি রাবণ’ কবিতার অংশ। এই কবিতায় রাবণের বীরত্বব্যঞ্জক ও তেজস্বী মনোভাব ফুটে উঠেছে।
40.
'একেই কি বলে সভ্যতা' এটি মধুসূদন দত্তের কী জাতীয় রচনা?
" একেই কি বলে সভ্যতা? " - এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন। প্রহসন বলতে মুলত একধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক বোঝায়। এর উদ্দেশ্য হলো হাস্যরস ও ব্যঙ্গ বিদ্রুপের আড়ালে অতিরঞ্জিত , অসংযত ও অভাবনীয় অবস্থা সৃষ্টির মাধ্যমে দর্শক দের বিনোদন প্রদান করা। প্রদত্ত প্রহসনটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের হাস্যরসাত্মক কাহিনী নিয়ে রচিত।
41. 'হেক্টরবধ' কোন উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত?
42. 'ফেনাময়, ফণাময় যথা ফণিবর/ উথলিছে নিরন্তর গভীর নির্ঘোষে'। উক্তিটি কোন কবিতার অংশ?
44. 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কার রচনা?
45. মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' একটি-
49. 'মেঘনাদবধ' কাব্যে কোনটির প্রবল প্রকাশ ঘটেছে?
50. বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক কমেডি নাটক কোনটি?