ব্যঞ্জনধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে-
Related Questions
প্রচুর + য = প্রাচুর্য হলো সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়। শব্দের শেষে ‘র্য' বা য ফলা (J) থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে 'ষ্ণ্য বা য’ হবে। অর্থাৎ ‘র্য' থাকলে 'ষ্ণ্য বা য' হবে।
শুদ্ধ বানান মনঃকষ্ট। মনঃকষ্ট সংস্কৃত শব্দ, বিশেষ্য পদ; যার অর্থ মনের দুঃখ, মনোবেদন। মনঃকষ্ট বিসর্গ সন্ধিজাত শব্দ; যার সন্ধি বিচ্ছেদ - মনঃ + কষ্ট।
শব্দ ও ধ্বনিকে সুশৃঙ্খলভাবে এবং যথাযথ নিয়মে বাক্যে প্রয়োগ করার বিধান বা শাখাকেই বাক্যতত্ত্ব বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় ৪টি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপ দেওয়া হলো:
ধ্বনি তত্ত্ব: ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনি পরিবর্তন, সন্ধি, নত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।
শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব: শব্দের গঠন, উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস, কারক ও বিভক্তি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।
বাক্যতত্ত্ব: ধ্বনি ও শব্দকে বাক্যে ব্যবহারের নিয়ম, বাক্যের গঠন, বাক্য পরিবর্তন ও বাক্যের সার্থক ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করে।
অর্থতত্ত্ব: শব্দের বা বাক্যের অর্থবিচার, বিপরীত শব্দ, বাগধারা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে
‘এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো এ বাক্য হলো নির্দেশাত্নক। যে বাক্যে কোনো বক্তব্য সাধারণভাবে বিবৃত বা নির্দেশ করা হয় তাকে বর্ণনাত্মক বাক্য বলে। একে নির্দেশমূলক, নির্দেশসূচক নির্দেশাত্নক, বিবৃতিমূলক বাক্যও বলা হয়। যেমনঃ সূর্য পূর্বদিকে ওঠে। সে রোজ এখানে আসে।
জব সলুশন