মীর মশাররফ হোসেনের নাটক কোনটি?
ক) নটির পূজা
খ) বেহুলা গীতিনাভিনয়
গ) নবীন তপস্বিনী
ঘ) কৃষ্ণকুমারী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বেহুলা গীতিনাভিনয় মীর মশাররফ হোসেনের লোকজ কাহিনীভিত্তিক একটি নাট্য রচনা। অন্য অপশনগুলোর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন নন।
Related Questions
ক) রত্নবতী
খ) উদাসীন পথিকের মনের কথা
গ) জমিদার দর্পণ
ঘ) বিষাদ-সিন্ধু
Note : জমিদার দর্পণ একটি শক্তিশালী সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক। এটি নীলকর ও অত্যাচারী জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত।
ক) জগৎ মোহিনী
খ) বসন্তকুমারী
গ) আয়না
ঘ) মোহিনী প্রেমদাস
Note : মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'বসন্তকুমারী' (১৮৭৩) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার কর্তৃক রচিত সার্থক নাটক।
ক) আবুল ফজল
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) মীর মশাররফ হোসেন
ঘ) শওকত ওসমান
Note : মীর মশাররফ হোসেন কেবল প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকই নন বরং তিনি প্রথম সার্থক মুসলিম নাট্যকার হিসেবেও বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত।
ক) শাহাদাৎ হোসেন
খ) মীর মশাররফ হোসেন
গ) ফররুখ আহমদ
ঘ) প্রমথ চৌধুরী
Note : নীলকরদের অত্যাচারের কাহিনী সংবলিত এই বিখ্যাত আত্মজৈবনিক উপন্যাসটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি অন্যতম সফল সৃষ্টি।
ক) নাটক
খ) আত্মজৈবনিক উপন্যাস
গ) কাব্য
ঘ) গীতি কবিতায় সংকলন
Note : উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০) মীর মশাররফ হোসেনের একটি আত্মজৈবনিক উপন্যাস যা নীল বিদ্রোহের পটভূমিতে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অবলম্বনে রচিত।
ক) উপন্যাস
খ) কাব্য
গ) আত্মজীবনী
ঘ) নাটক
Note : গাজী মিঁয়ার বস্তানীকে অনেক সমালোচক উপন্যাসধর্মী আত্মজীবনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এটি একটি কাল্পনিক আত্মকথনের ঢঙে লেখা সামাজিক সমালোচনা।
জব সলুশন