পৃথিবীতে কখন ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তিত হয় এবং কোন কোম্পানি এটি তৈরি করে?
'অসবর্ণ - ১ (Osborne - 1)' নামক ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রথম তৈরি করে 'অসবর্ণ কম্পিউটার (Osborne Computer )' নামক কোম্পানি ১৯৮১ সালে। একই বছরের পরবর্তী সময়ে এপসন তৈরি করে ' এপসন এইচএক্স - ২০ (Epson HX - 20 )' নামের একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার। অপরদিকে 'আইবএম' (IBM) , 'কমপ্যাক কম্পিউটার' (Compaq Computer ) ও 'অ্যাপল কম্পিউটার ' ( Apple Computer ) নামক কোম্পানি তিনটি ল্যাপটপ কম্পিউটার তৈরি করে যথাক্রমে ১৯৮৪, ১৯৮৮ ও ১৯৮৯ সালে।
Related Questions
রেফ্রিজারেটরের মধ্যে একটি শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থাকে, যাকে ঘিরে থাকে ফাঁপা নলের তৈরি বাষ্পীভবন কুণ্ডলী। এই কুণ্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন থাকে এবং এক একটি সংকোচন পাম্প বা কমপ্রেসর চালু করা হলে নলের ভিতরের চাপ কমে যাওয়ায় ফ্রেয়ন দ্রুত বাষ্পীভূত হয়। ফ্রেয়ন বাষ্পীভূত হওয়ার সময় বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থেকে নেয় বলে এখানে শীতলীকরণ ঘটে। পরবর্তীকালে বাষ্পীভূত ফ্রেয়নকে গনীভূবন কুণ্ডলীর মধ্যে এনে কমপ্রেসরের সাহায্যে সঙ্কুচিত বা ঘনীভূত করে পুনরায় তরলে পরিণত করা এবং ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা এই উভয় কাজই কমপ্রেসর করে থাকে। তবে কমপ্রেসরের প্রধান কাজ হলো ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা।
জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলো গাম রশ্মি । গামা রশ্মির বেদন ক্ষমতা, অন্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। আলট্রাভায়োলেট অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে, যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর।
ক্যান্সার মূলত কোষের ডিএনএ-তে ক্ষতিকর পরিবর্তন বা মিউটেশনের কারণে হয়, যা কোষের অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটায়। প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে জিনগত ত্রুটি বা বংশগত প্রভাব, ধূমপান বা তামাক সেবন এবং ক্ষতিকর বিকিরণ বা রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শ।
- সুষুম্না কাণ্ড বা Spinal Cord কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ।
- Spinal Cord বা স্নায়ু রঞ্জু মস্তিষ্ক থেকে মেরুদণ্ডের ভেতরে অবস্থিত।
- Spinal Cord প্রায় ১৮ ইঞ্চি লম্বা।
- এখান থেকে ৩১ জোড়া স্নায়ু (Spinal nerve) উৎপন্ন হয়।
নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে । ফলে পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায় ।
- কচি পাতাগুলু শেষে হলুদ হয় এবং পীত বর্ণ ধারণ করে। পাতার বর্ণ পরিবর্তন হওয়াকে ক্লোরোসিস বলে । ম্যাগনেশিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়।
নিচের কিছু তথ্য জেনে রাখুনঃ
• ফসফরাস:
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।
• পটাশিয়াম:
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।
চা পাতায় ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ভিটামিন থাকে ।
শাকসবজি, তৈলবীজ এবং হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেলে ভিটামিন - ই পাওয়া যায় । সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত দ্রব্য ভিটামিন 'কে' - এর প্রধান উৎস । চা পাতা, বৃষ্টির পানিতে ভিটামিন - বি কমপ্লেক্স পাওয়া যায় । মাছের তেল, দুধ, মলা মাছ, মাছের মাথা এবং গাজরে সর্বাধিক ভিটামিন - এ রয়েছে ।
জব সলুশন