এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ২০ হতে ৩০ সেলসিয়াসে বৃদ্ধির জন্যে কত তাপের প্রয়োজন?

ক) ১০ ক্যালরি
খ) ২ ক্যালরি
গ) ৩ ক্যালরি
ঘ) ৪ ক্যালরি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

আমরা জানি, 

কোনো বস্তুর তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ = বস্তুর ভর x আপেক্ষিক তা x তাপমাত্রার পার্থক্য । 

এখানে, 

পানির ভর = ১ গ্রাম, 

আপেক্ষিক তাপ = ১ ক্যালরি /গ্রাম /ডিগ্রী সেলসিয়াস = ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস । 

∴ প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ 

=১ x ১ x ১০ ক্যালরি 

= ১০ ক্যালরি ।

Related Questions

ক) 0.8 mph
খ) 1.6 mph
গ) 2.4 mph
ঘ) 3.2 mph
Note :

Total 5 ঘণ্টায় যায় 8m

1  ঘণ্টায় যায় 8/5 = 1.6 m

সুতরাং, গড় গতি 1.6mph

ক) 25
খ) 45
গ) 55
ঘ) 70
Note :

30 ÷ (1/2) = 30 × 2 = 60

Then add 10: 60 + 10 = 70

Answer: 70.

ক) নেগ্রিটো
খ) ভোটচীন
গ) দ্রাবিড়
ঘ) অস্ট্রিক
Note :

প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো অস্ট্রিক , দ্রাবিড় , নেগ্রিটো ও ভোটসিনিয় ।
- উল্লিখিত চারটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠিত হয়েছে ।
- ভারতে বা বাংলায় মানুষের উদ্ভব হয়নি, আগমন হয়েছিল।
- প্রথমে আসে নিগ্রোবটু বা নেগ্রিটো সম্প্রদায়ের মানুষ। এরা প্রাগৈতিহাসিক যুগে স্থলপথে আফ্রিকা থেকে ভারতবর্ষে আসে।
- এরপর পর্যায়ক্রমে প্রোটো অস্ট্রালয়েড, অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জাতির আগমন ঘটে।
- দ্রাবিড় জাতি এসে অস্ট্রিক জাতির উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- দ্রাবিড় আগমনের সামসময়িককালে ভোটচীনীয় বা মঙ্গোলীয় জাতির আগমন ঘটে।
- অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও মঙ্গোলীয় জাতির সংমিশ্রণে গড়ে ওঠে (অস্ট্রিক) বাঙালি জাতি। যাদেরকে নিষাদ জাতিও বলা হয়।
- এরপর খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ শতকে ভারতবর্ষে (বাংলায়) আর্যরা প্রবেশ করে এবং অস্ট্রিক জাতির উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- এভাবে আর্য ও অনার্য আদিম অধিবাসীদের সংমিশ্রণে এক নতুন সংকর জাতিগোষ্ঠীর উদ্ভব ঘটে। যারা পরবর্তীতে বাঙালি নামে পরিচিত হয়।
- তবে নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষের উপর আদি-অস্ট্রেলীয় প্রভাব বিদ্যমান।

ক) হিমালয়
খ) কুয়েনলুন পর্বত
গ) ব্ল্যাক ফরেস্ট
ঘ) আল্পস
Note :

হোয়াংহো নদী চীনে অবস্থিত। এর দৈর্ঘ্য ৫,৪৬৪ কিমি; উৎপত্তিস্থল কুয়েনলুন পর্বত। এটি পতিত হয়েছে পীত সাগরে। হোয়াংহো নদীর তীরবর্তী শহর বেইজিং । হোয়াংহোকে বলা হয় হলদে নদ বা পীত নদী।

ক) সনোরা লাইন
খ) ম্যাকনামারা লাইন
গ) ডুরান্ড লাইন
ঘ) হিন্ডারবার্গ লাইন
Note :

সনোরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী রেখা।
• ম্যাকনামারা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক সাবেক উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের সীমান্তে নির্মিত বৈদ্যুতিক বেষ্টনী। বর্তমানে এর অস্তিত্ব নেই। 

• ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা। 

• হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।

ক) Arctic
খ) Antarctic
গ) Antipodes
ঘ) Occident
Note :

The South Pole is located in the Antarctic region, specifically on the continent of Antarctica. 

জব সলুশন

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

বাংলাদেশ ব্যাংক — সহকারী পরিচালক 2026-07-17

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় -সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) 04-08-2026

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় - সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল - ও.টি. নার্স 27-07-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন