বাদুড় অন্ধকারে চলাফেরা করে কিভাবে?
বাদুড়ের দৃষ্টিশক্তি অত্যন্ত ক্ষীণ, তাই চলার সময় শ্রবণশক্তির উপর নির্ভর করতে হয় । বাদুড়ের কান শব্দোত্তর বা আলট্রাসনিক তরঙ্গের শব্দ শুনতে সক্ষম । চলার সময় বাদুড় ক্রমাগত মুখ দিয়ে প্রায় ২০ কিলোহার্টজ শব্দোত্তর বা আলট্রাসনিক তরঙ্গের শব্দ তৈরি করে এবং সেই শব্দ তার চারপাশ থেকে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসলে বাদুড় সেই প্রতিধ্বনি থেকেই আশেপাশের সম্ভাব্য বাধা - বিঘ্ন সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে ও তা এড়িয়ে চলতে পারে।
Related Questions
- হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে ব্রহ্মপুত্র উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদ ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি.।
- ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশে উত্থিত হওয়া নতুন স্রোতধারাটি দক্ষিণ দিকে যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে এসে পদ্মায় মিলিত হয়েছে।
- আর পদ্মা নদী চাঁদপুরের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা হচ্ছে যমুনা।
মানুষের গায়ের রঙ নির্ভর করে চামড়ার মেলানিনের উপস্থিতির উপর। চামড়ার মেলানোসাইট নামক একপ্রকার কোষ মেলানিন তৈরি করে। চামড়ায় মেলানিনের পরিমাণ বেশি থাকলে গায়ের রঙ কালো হয় আর মেলানিন কম থাকলে গায়ের রঙ ফর্সা হয়।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক কর্মোদ্যোগ আর জনসচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পালিত দিবস।
এই দিনটিতেই জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ কনফারেন্স (United Nations Conference on the Human Environment) শুরু হয়েছিল।
এই কনফারেন্স হয়েছিল ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৫ থেকে ১৬ জুন অবধি। এই কনফারেন্স ঐ বছরই চালু করেছিল জাতিসংঘের সাধারণ সভা। তখন থেকেই প্রতি বৎসর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে।
দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে।
জব সলুশন