আর্য জাতি কোন দেশ থেকে এসেছিল?

ক) বাহরাইন
খ) ইরাক
গ) মেক্সিকো
ঘ) ইরান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ঐতিহাসিকদের মতে, আর্যদের একটি শাখা মধ্য এশিয়ার ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে অবস্থিত তৃণভূমি অঞ্চল থেকে ইরানে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে একটি দল খাইবার পাস হয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে 'ইরান' সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।

Related Questions

ক) বাঙালি
খ) আর্য
গ) নিষাদ
ঘ) আলপাইন
Note :

অস্ট্রিক গোষ্ঠীর 'নিষাদ' জাতি হিসেবেও অভিহিত করা হতো। যেহেতু বাংলার আদি অধিবাসীরা ছিল অস্ট্রিক ভাষাভাষী, তাই তাদের 'নিষাদ' জাতির অন্তর্ভুক্ত বলা হয়। 'বাঙালি' একটি সংকর জাতি যা পরবর্তীকালে বিভিন্ন জাতির মিশ্রণে গঠিত হয়েছে।

ক) আর্য
খ) মঙ্গোলীয়
গ) পুণ্ড্র
ঘ) অস্ট্রিক
Note :

- প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো অস্ট্রিক , দ্রাবিড় , নেগ্রিটো ও ভোটসিনিয় ।
- উল্লিখিত চারটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠিত হয়েছে ।
- ভারতে বা বাংলায় মানুষের উদ্ভব হয়নি, আগমন হয়েছিল।
- প্রথমে আসে নিগ্রোবটু বা নেগ্রিটো সম্প্রদায়ের মানুষ। এরা প্রাগৈতিহাসিক যুগে স্থলপথে আফ্রিকা থেকে ভারতবর্ষে আসে।
- এরপর পর্যায়ক্রমে প্রোটো অস্ট্রালয়েড, অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জাতির আগমন ঘটে।
- দ্রাবিড় জাতি এসে অস্ট্রিক জাতির উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- দ্রাবিড় আগমনের সামসময়িককালে ভোটচীনীয় বা মঙ্গোলীয় জাতির আগমন ঘটে।
- অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও মঙ্গোলীয় জাতির সংমিশ্রণে গড়ে ওঠে (অস্ট্রিক) বাঙালি জাতি। যাদেরকে নিষাদ জাতিও বলা হয়।
- এরপর খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ শতকে ভারতবর্ষে (বাংলায়) আর্যরা প্রবেশ করে এবং অস্ট্রিক জাতির উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- এভাবে আর্য ও অনার্য আদিম অধিবাসীদের সংমিশ্রণে এক নতুন সংকর জাতিগোষ্ঠীর উদ্ভব ঘটে। যারা পরবর্তীতে বাঙালি নামে পরিচিত হয়।
- তবে নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষের উপর আদি-অস্ট্রেলীয় প্রভাব বিদ্যমান।

ক) নেগ্রিটো
খ) ভোটচীন
গ) দ্রাবিড়
ঘ) অস্ট্রিক
Note : ভাষাতাত্ত্বিক ও নৃবিজ্ঞানীদের মতে, বাংলার আদিম অধিবাসীরা ছিল অস্ট্রিক (Austric) বা নিষাদ গোষ্ঠীর। আর্যদের আগমনের পূর্বে এই অস্ট্রিক ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীই বাংলায় বসবাস করত এবং এরাই বাঙালি জাতির মূল ভিত্তি বা প্রধান অংশ গঠন করেছে। যদিও পরবর্তীতে দ্রাবিড়, ভোটচীন এবং আর্যদের সাথে সংমিশ্রণ ঘটেছে, মূল ভিত্তি অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীকেই ধরা হয়।
ক) ভাষার নাম
খ) জাতিগোষ্ঠীর নাম
গ) গ্রহপুঞ্জের নাম
ঘ) স্থানের নাম
Note : মূলত, 'আর্য' কোনো একক জাতিগোষ্ঠীর নাম নয়, বরং এটি একটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর নাম। যারা এই ভাষায় কথা বলত, তাদের আর্য বলা হত। পরবর্তীতে শব্দটি জাতিগত পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করলেও এর মূল ভিত্তি ছিল ভাষাগত।
ক) ৬০৫ সালে
খ) ১১৪৫ সালে
গ) ১৩৪৫ সালে
ঘ) ১২৪৫ সালে
Note : বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, ইবনে বতুতা আনুমানিক ১৩৪৫ থেকে ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বাংলাদেশ, বিশেষ করে সিলেট ও সোনারগাঁও অঞ্চল ভ্রমণ করেন।
ক) ইবনে বতুতা
খ) কলন্দর শাহ
গ) হিউয়েন সাং
ঘ) মা-হুয়ান
Note : ইবনে বতুতা বাংলার জলবায়ু ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে একে 'দোযখ-পুর-আজ-নেয়ামত' বা 'ধনসম্পদপূর্ণ নরক' (a hell full of blessings) বলে অভিহিত করেন। কারণ এখানকার প্রতিকূল আবহাওয়ার পাশাপাশি ধনসম্পদের প্রাচুর্যও ছিল।

জব সলুশন

পরমাণু শক্তি কমিশনের-মেডিকেল অফিসার (বিষয়ভিত্তিক ব্যতীত) 25-09-2026

বন অধিদপ্তর-ডেমনস্ট্রেটর (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) ২২-০৯-২০২৬

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 18-09-2026

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-টিকেট ক্লার্ক/রেকর্ড কিপার 05-09-2026

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর- সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা 01-09-2026

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-এস্টিমেট (তড়িৎ) ও উপ সহকারী প্রকৌশলী 01-09-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন