'লোকে কিনা বলে'- বাক্যে 'লোক' শব্দের সাথে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়েছে?
'লোক' শব্দের সাথে '-এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'লোকে' পদটি গঠিত হয়েছে, যা কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
Related Questions
নিক্কণ, কল্যাণ এবং লবণ এই শব্দগুলো স্বভাবতই মূর্ধাণ্য হয়। কিন্তু ব্যাকরণ শব্দটিতে ণ(মূর্ধাণ্য) হয়েছে ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুসারে।
তৎসম শব্দের বানানে ণ এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান। ণত্ব বিধান অনুযারি ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সবসময় 'ণ' যুক্ত হয়।
সঠিক বানানটি হলো পরিষ্কার।
নিত্য মূর্ধন্য-ণ বাচক শব্দ হিসেবে (পরমাণু অর্থে) দন্ত্য-ন দিয়ে গঠিত 'অনু' বানানটি সঠিক নয়, এর শুদ্ধ রূপ হবে 'অণু'।
- বাংলা ব্যাকরণের ণ-ত্ব বিধান অনুসারে, তৎসম শব্দে ঋ, র, এবং ষ-এর পর মূর্ধন্য 'ণ' বসে।
- এর ফলে, এই বর্ণগুলোর পরে ব্যবহৃত দন্ত্য 'ন' ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: ঋণ (ঋ-এর পর), কারণ (র-এর পর), ভূষণ (ষ-এর পর) ইত্যাদি শব্দে 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে।
- মনে রাখতে হবে, এই নিয়মটি শুধুমাত্র তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, অন্য কোনো ক্ষেত্রে নয়।
ব্রাহ্মন' (দন্ত্য-ন যুক্ত) বানানটি অশুদ্ধ। এর সঠিক বা শুদ্ধ রূপ হলো 'ব্রাহ্মণ' (মূর্ধন্য-ণ যুক্ত)।
জব সলুশন