একটি তালগাছ এর পাদবিন্দু হতে ১০ মিটার দূরবর্তী স্থানে গাছের শীর্ষের উন্নতি কোণ ৬০ ডিগ্রী হলে, গাছটির উচ্চতা কত?
সুত্র : শীর্ষ বিন্দুর উন্নতি কোন 60 হলে উচ্চতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে টেকনিক মনেরাখুন উচ্চতা=[পাদদেশ হতে দুরত্ত্ব ×√3]
উদাহরনঃ একটি তাল গাছের পাদবিন্দু হতে 10 মিটার দুরবর্তী স্থান থেকে গাছের শীর্ষের উন্নতি কোন 60° হলে গাছটির উচ্চতা নির্ন্যয় করুন?
অথবাঃ সুর্যের উন্নতি কোন 60° হলে একটি গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য 10 মিটার হয়। গাছটির উচ্চতা কত?
সমাধান : উচ্চতা=[পাদদেশ হতে দুরত্ত্ব ×√3]
=10√3=17.32 মি (উঃ)
(মুখস্ত রাখুন √3=1.73205)
(শুধু মনে রাখুন 30° হলে ভাগ এবং 60° হলে গুন হবে)
Related Questions
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুসমূহের কয়েকটি জনপ্রিয় অনুপাত হল,
৩,৪,৫;
১২,৫,১৩;
৬,৮,১০
এই অনুপাত সমূহের কারণ হল, পীথাগোরাসের উপপাদ্য।
পীথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
অতিভুজ এর বর্গ হবে ভূমির বর্গ এবং লম্বের বর্গের সমষ্টি।
অতিভুজ2= লম্ব2+ভূমি2
প্রদত্ত,
রম্বসের দুটি কর্ণের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৪ সেমি ও ৬ সেমি।
রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রঃ
ক্ষেত্রফল = ½ × (প্রথম কর্ণ × দ্বিতীয় কর্ণ)
অতএব,
ক্ষেত্রফল = ½ × 4 × 6
= ½ × 24
= 12 বর্গ সেমি
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর শাসনামলে (১৬৭৮ সালে) লালবাগ দুর্গ বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ নির্মাণ শুরু হয়েছিল। সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহ বাংলার সুবেদার থাকাকালীন এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন ।
বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে জামদানির অপরিসীম ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০১৩ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee এর অষ্টম অধিবেশনে ঐতিহ্যবাহী জামদানি বুনন্ শিল্পকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি, এর মধ্যে ২টি সাংস্কৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য ও ১টি প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য।
এগুলো হলো:
✔ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫, ৩২২তম)
✔ বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫, ৩২১তম)
✔ সুন্দরবন (১৯৯৭, ৭৯৮তম)।
ডেঙ্গু জ্বরের প্রধান বাহক হলো সংক্রামিত স্ত্রী এডিস ইজিপ্টি (Aedes aegypti) মশা [১, ২]। এই ভাইরাসটি এডিস প্রজাতির অন্য মশা, যেমন এডিস অ্যালবোপিক্টাস (Aedes albopictus) দ্বারাও ছড়াতে পারে [৭]। সাধারণত দিনের বেলা, বিশেষ করে সকালে ও বিকেলে এই মশা কামড়ায় এবং স্থির স্বচ্ছ পানিতে এদের বংশবৃদ্ধি হয় [১২]।
ডেঙ্গু বাহক এডিস মশার বৈশিষ্ট্য ও সংক্রমণ:
মশার বাহ্যিক রূপ: এডিস মশা আকারে ছোট এবং এদের শরীরে সাদা-কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে, তাই এদের ‘টাইগার মশা’ও বলা হয় [৯, ১০]।
সংক্রমণ প্রক্রিয়া: যখন একটি মশা ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন ভাইরাসটি মশার শরীরে প্রবেশ করে এবং ৮-১২ দিন পর মশাটি অন্য সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে তার শরীরে ভাইরাস ছড়ায় [২, ১১]।
দিনের বেলা সক্রিয়: এডিস মশা সাধারণত দিনের আলোতে, বিশেষ করে সূর্যোদয়ের পর কয়েক ঘণ্টা এবং সূর্যাস্তের আগে ও পরে কামড়ায় [১২]।
প্রজননস্থল: বাড়ির ভেতরে বা আশেপাশে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এরা ডিম পাড়ে। যেমন—টব, ফুলের টব, টায়ার, ডাবের খোসা, বাথরুমে জমে থাকা পানি [১০, ১১]।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং দিনের বেলা মশার কামড় থেকে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি [১২]।
জব সলুশন