বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত ?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিমি)। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হলো ২০০ নটিক্যাল মাইল এবং মিয়ানমার ও ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির ফলে বাংলাদেশের বর্তমান মোট সমুদ্রসীমা হলো ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার।
Related Questions
ইবোলা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হলো মধ্য আফ্রিকা, বিশেষ করে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (তৎকালীন জায়ার)। ১৯৭৬ সালে কঙ্গো নদীর অববাহিকায় অবস্থিত ইয়াম্বুকু (Yambuku) নামক গ্রামের একটি হাসপাতালের আশেপাশে এটি প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল।
ইউনিসেফের ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাল্যবিবাহে শীর্ষ দেশ হলো নাইজার। এই আফ্রিকান দেশটিতে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই প্রায় ৭৭ শতাংশ মেয়ের বিয়ে হয়ে থাকে।
নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে নায়াগ্রা নদীর উপর অবস্থিত। এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক রাজ্য এবং কানাডার অন্টারিও প্রদেশের মাঝখানে একটি আন্তর্জাতিক সীমানা তৈরি করেছে।
কীট-পতঙ্গ সম্পর্কিত বিদ্যা হলো এনটোমোলজি (Entomology) বা কীটতত্ত্ব। এটি প্রাণীবিদ্যার একটি শাখা, যেখানে কীটপতঙ্গের জীবনযাত্রা, স্বভাব, উপকারিতা, অপকারিতা এবং দমনপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সাবান তৈরির উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট (by-product) হিসেবে গ্লিসারিন (বা গ্লিসারল) পাওয়া যায়। তেল বা চর্বির সাথে ক্ষারের (যেমন সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড) সাবানায়ন (saponification) বিক্রিয়ার মাধ্যমে মূল উপাদান হিসেবে সাবান এবং উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন উৎপন্ন হয়।
- দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশ সমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা করার লক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য ৮ (ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা)।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
- সার্কের শীর্ষ সম্মেলন সাধারণত বাৎসরিক ভিত্তিতে নির্ধারিত এবং পররাষ্ট্র সচিবদের সভা দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- এছাড়াও ১০-১১ এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে ৭ম এবং ১২-১৩ নভেম্বর, ২০০৫ সালে ১৩তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এর উদ্দেশ্যগুলো হলো-
ক) দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ ত্বরান্বিত করা
খ) অঞ্চলে নিরাপত্তার পরিবেশ উন্নত করা
গ) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা
জব সলুশন