উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী 'চ' বর্গের বর্ণসমূহ কোন ধরনের বর্ণ?
ধ্বনি অনুযায়ী শ্রেণী
কন্ঠ্য ধ্বনি: ৫টি (ক, খ, গ, ঘ, ঙ)
তালব্য ধ্বনি: ৮টি (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, শ, য, য়)
মূর্ধন্য ধ্বনি: ৯টি (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ষ, র, ড়, ঢ়)
দন্ত্য ধ্বনি: ৭টি (ত, থ, দ, ধ, ন, স, ল)
ওষ্ঠ্য ধ্বনি: ৫টি (প, ফ, ব, ভ, ম)
Related Questions
জ' হলো একটি ঘোষ বর্ণ। বাংলা ব্যাকরণে যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বেশি কাঁপে বা অনুরণিত হয়, সেগুলোকে ঘোষ বর্ণ বলে। প্রতিটি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণগুলো ঘোষ বর্ণ।
চ, ছ হলো অঘোষ ধ্বনি। বাংলা ব্যাকরণে প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হলো অঘোষ ধ্বনি। যেহেতু চ-বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হলো চ এবং ছ, তাই এদের অঘোষ ধ্বনি বলা হয়
যে ধ্বনি জিহবার অগ্রভাগকে মুখের মাঝামাঝি দন্তমূলে ঠেকিয়ে রেখে জিহবার এক বা দু পাশ দিয়ে মুখবিবর থেকে বায়ু বের হয়ে উচ্চারিত হয় তাকে পার্শ্বিক ধ্বনি বলে। যেমন- ল।
দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণের ধ্বনি হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি l যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস বা বাতাসের জোর বেশি থাকে এবং অতিরিক্ত শ্বাসবায়ুর প্রয়োজন হয়, সেগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ এবং ভ。
যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয় ও নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে বেশি চাপ পড়ে, সেগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীয় বর্ণগুলোর দ্বিতীয় (যেমন- খ, ছ, ঠ, থ, ফ) ও চতুর্থ (যেমন- ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ) বর্ণগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনির উদাহরণ l
ধ্বনি উৎপত্তির জন্য কম্পনের প্রয়োজন হয়। বাংলা বর্ণমালায়, র (র) অক্ষরটি একটি কম্পনজাত ধ্বনি। এর অর্থ হল, যখন এটি উচ্চারিত হয়, তখন কিছু ধরনের কম্পন ঘটে। অন্যদিকে, বাকি অপশনে উল্লেখিত অক্ষরগুলি (ল, ব, ঢ়, ) কম্পনজাত ধ্বনি নয়।
সুতরাং, র উত্তরটি সঠিক কারণ এটি একটি কম্পন সৃষ্টি করে, যা শব্দ তৈরি করতে সাহায্য করে।
জব সলুশন