কোনটি কণ্ঠধ্বনি নয়?

ক) ক
খ) খ
গ) গ
ঘ) প
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস তাড়িত বাতাস সরাসরি কণ্ঠনালি/জিহ্বামূল স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়, তাকে কণ্ঠ্যধ্বনি বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলে (যেমন: ক, খ, গ, ঘ, ঙ)। ‘প’ হলো ওষ্ঠ্য ধ্বনি, তাই এটি কণ্ঠধ্বনি নয়।

Related Questions

ক) জিহ্বামূল
খ) অগ্রতালু
গ) পশ্চাৎদন্তমূল
ঘ) অগ্রদন্তমূল
Note :

ক-বর্গীয় ধ্বনি অর্থাৎ ক, খ, গ, ঘ, ঙ -এ ৫ টি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণ জিহ্বার গোড়ার দিকে নরম তালুর পশ্চাৎ ভাগ স্পর্শ করে।

ক) ক
খ) হ
গ) উ
ঘ) ঝ
Note :

কণ্ঠ বা জিহ্বামূল হতে উচ্চারিত ধ্বনিকে কণ্ঠধ্বনি বলা হয়।কণ্ঠধ্বনি ৫টি। যথা: ক, খ, গ, ঘ, ঙ।

ক) কণ্ঠধ্বনি
খ) তালব্য ধ্বনি
গ) কর্কশ ধ্বনি
ঘ) ঘোষ ধ্বনি
Note :

কন্ঠ ধ্বনি :- ক খ গ ঘ ঙ 

ঙ নাসিক্য বর্ণেরও অন্তর্ভুক্ত 

ক) ২৫টি
খ) ২৬টি
গ) ২৭টি
ঘ) ২৮টি
Note :

বাংলা বর্ণমালা ৫০ টি বর্ণ রয়েছে । তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি । পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা যথাক্রমে ৩২ টি, ৮ টি ও ১০ টি। 'ক' থেকে 'ল' পর্যন্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ২৮টি।

ক) ২৫টি
খ) ৩৯টি
গ) ২৪টি
ঘ) ৩০টি
Note :

আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ (NCTB) অনুযায়ী, বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি বা ব্যঞ্জনমূলের সংখ্যা ৩০টি (আর ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি)।

ক) তিন
খ) চার
গ) পাঁচ
ঘ) ছয়
Note :

উচ্চারণ স্থান অনুসারে বাংলা ভাষার ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে ৫টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে । যথা: ক. কণ্ঠ বা জিহবামূলীয়: খ. তালব্য বা অগ্রতালুজাত; গ.মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয় ; ঘ. দন্ত বা অগ্রদন্তমূলীয় বর্ণ; ঙ, ওষ্ঠ্য বর্ণ ।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন