'ক্ষ' এর বিশ্লিষ্ট রূপ-?

ক) ক+ষ
খ) ক+খ+গ
গ) ক+ষ+ম
ঘ) হ্+ম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ:

ক্ক = ক + ক; যেমন - আক্কেল, টেক্কা

ক্ট = ক + ট; যেমন - ডক্টর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন - অক্ট্রয়

ক্ত = ক + ত; যেমন - রক্ত

ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন - বক্ত্র

ক্ব = ক + ব; যেমন - পক্ব, ক্বণ

ক্ম = ক + ম; যেমন - রুক্মিণী

ক্য = ক + য; যেমন - বাক্য

ক্র = ক + র; যেমন - চক্র

ক্ল = ক + ল; যেমন - ক্লান্তি

ক্ষ = ক + ষ; যেমন - পক্ষ

ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন - তীক্ষ্ণ

ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন - ইক্ষ্বাকু

Related Questions

ক) পল্লব
খ) লিপ্সা
গ) কর্জ
ঘ) শক্ত
Note :

'পল্লব' শব্দটি ল-ফলা যুক্ত শব্দ। এটি একটি যৌগিক বা সংযুক্ত বর্ণ, যা মূলত (ল) এবং (ল) এর সমন্বয়ে গঠিত। বাংলা ব্যাকরণে 'ফলা' বলতে ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বোঝায়। 'পল্লব' শব্দটিতে 'ল' বর্ণের সাথে 'ল' ফলা যুক্ত হয়ে একটি যুক্তাক্ষর তৈরি করেছে

ক) সাতটি
খ) ছয়টি
গ) পাঁচটি
ঘ) নয়টি
Note :

• ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে ফলা। ফলা যুক্ত হলে বর্ণের আকারের পরিবর্তন সাধিত হয়।
• বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ফলা ৬টি।
যথাঃ- ব, য, ম, র, ল ও ন-ফলা

ক) ফল
খ) ফলা
গ) ফলাই
ঘ) অক্ষর
Note :

বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন স্বরবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'কার'
আর ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ব্যঞ্জনবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'ফলা'
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ১০টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি।

উদাহরণ:
ম-ফলা: পদ্ম (এখানে 'দ'-এর সাথে 'ম' যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে বসেছে।)

য-ফলা: বাক্য (এখানে 'ক'-এর সাথে 'য' যুক্ত হয়েছে।)
র-ফলা: ব্রত (এখানে 'ব'-এর সাথে 'র' যুক্ত হয়েছে।)

ক) কারবর্ণ
খ) অনুবর্ণ
গ) ফলা
ঘ) রেফ
Note :

প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ (NCTB) অনুযায়ী, ব্যঞ্জনবর্ণের প্রাথমিক বা মূল রূপের বাইরে যেসব বিকল্প রূপ রয়েছে, সেগুলোকে অনুবর্ণ বলে। অনুবর্ণ ৩ প্রকার:
১. ফলা (যেমন: য-ফলা, র-ফলা)
২. বর্ণসংক্ষেপ (যেমন: ৎ)
৩. রেফ (র্)

ক) ঈ
খ) অ
গ) উ
ঘ) ঐ
Note :

স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় কার। যেমন: ‘ম’ এর সাথে ‘আ’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘া' যুক্ত হয়ে হয় ‘মা’।
স্বরবর্ণের মোট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলোর নাম কারবর্ণ। যথা: া, ি, ী, ু, ূ, ৃ,ে, ৈ, ো, ৌ, ।
কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।

কোনো ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হস্চি‌হ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি ‘অ’ আছে বলে ধরে নেয়া হয়। কিন্তু ‘অ’ এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।

ক) ৮টি
খ) ১০টি
গ) ২০টি
ঘ) ২৫টি
Note :

যেমন - আ - কার, ই - কার,ঈ - কার, উ - কার, ঊ - কার, ঋ - কার, এ - কার, ঐ - কার,ও - কার, ঔ - কার। স্বরবর্ণের কার চিহ্ন মোট ১০টি।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন