শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে বলা হয়-
বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাতত্ত্ব অনুযায়ী, একটি শব্দের ক্ষুদ্রতম বা অবিভাজ্য একককে ধ্বনি বলা হয়। মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত এই ধ্বনিগুলোই যখন একত্রিত হয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে।
Related Questions
শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ধ্বনি। ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ, যেমন: ক+ল+ম = কলম।
ব্যাকরণ ভাষার নিয়মকানুন ও গঠন নিয়ে আলোচনা করে, তাই ভাষাতত্ত্ব (Linguistics) ব্যাকরণের কোনো সাধারণ আলোচ্য বিষয় বা শাখা নয়। বাংলা ব্যাকরণের সাধারণ আলোচ্য বিষয় ৪টি। এগুলো হলো: ধ্বনিবিজ্ঞান/ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology), শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology), বাক্যতত্ত্ব (Syntax) এবং অর্থতত্ত্ব (Semantics)।
মনস্তত্ত্ব শব্দটি ব্যাকরণের আলোচ্যসূচিতে পড়ে না। ব্যাকরণ মূলত ভাষার গঠন, শব্দ, বাক্য, এবং অর্থের নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে, মনস্তত্ত্ব হলো মানুষের মানসিক প্রক্রিয়া ও আচরণের বিজ্ঞান, যা ব্যাকরণের আওতাভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর হলো: পদক্রম ।
ব্যাখ্যা:
ভাষার প্রধান বা মৌলিক অংশ চারটি:
১. ধ্বনি (Sound)
২. শব্দ (Word)
৩. বাক্য (Sentence)
৪. অর্থ (Meaning)
প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে ধ্বনি, শব্দ এবং অর্থ—এই তিনটি ভাষার মৌলিক অংশ। কিন্তু 'পদক্রম' হলো বাক্যের অন্তর্গত পদ সাজানোর নিয়ম বা বাক্যতত্ত্বের একটি আলোচ্য বিষয়, এটি সরাসরি ভাষার মৌলিক চারটি উপাদানের নামের মধ্যে পড়ে না (সেটি হলো 'বাক্য')। তাই 'পদক্রম' সঠিক উত্তর।
প্রতিটি ভাষারই কতগুলো মৌলিক অংশ থাকে,তন্মধ্যে ধ্বনি, শব্দ,বাক্য অন্যতম। মানুষের কণ্ঠ নিঃসৃত বাক সংকেতের সংগঠনকে ধ্বনি বলে। আর ধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বর্ণ বলে। এক বা একাধিক বর্ণ বা ধ্বনি একত্রিত হয়ে যখন কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে। মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত অর্থপূর্ণ বাক্যসমষ্টি যখন মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে ভাষা বলে। এইজন্য যে কোন ভাষার জন্য ধ্বনি, শব্দ,বাক্য গুরুত্বপূর্ণ।
ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়ম শৃঙ্খলার আবিষ্কারের নামই - - - - ব্যাকরণ।
ভাষাবিজ্ঞান বা শাস্ত্রে হলো ব্যাকরণ । ব্যাকরণ শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো " বিশ্লেষণ"( বি + আ + ক্রি + অন) বিশেষ এবং সম্যকরূপে বিশ্লেষণ। যে শাস্ত্র পাঠ করলে শুদ্ধভাবে ভাষা লিখতে পড়তে ও বলতে পারা যায় তাকে ব্যাকরণ বলে।
ভাষার সংজ্ঞা প্রসঙ্গে নানান সাহিত্যিক নানান মতামত লক্ষ্য করা যায় তবে যে সমস্ত মতামতগুলি গ্রহণযোগ্য তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল -
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে যে শাস্ত্রে কোন ভাষাকে বিশ্লেষণ করে তার স্বরূপ আকৃতি ও প্রয়োগের নীতি বুঝিয়ে দেওয়া হয়' সেই শাস্থ্যকে বলে সেই ভাষার ব্যাকরণ ।
জব সলুশন