ব্যুৎপত্তিগতভাবে ব্যাকরণ শব্দের অর্থ হলো-
ব্যাকরণ শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ (বি + আ + কৃ + অন)। সহজ কথায়, যে শাস্ত্রের মাধ্যমে কোনো ভাষার শব্দ, বাক্য এবং উপাদানগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে এবং আলাদা আলাদা করে ব্যবচ্ছেদ বা বিশ্লেষণ করা হয়, তাকেই ব্যাকরণ বলা হয়।
Related Questions
সংস্কৃত ব্যাকরণ = বি + আ + √কৃ + অন শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। ভাষা ব্যবহারের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম হচ্ছে ব্যাকরণ। এককথায় ব্যাকরণ হচ্ছে ভাষার সংবিধান।
গ্রিক ‘Grammatica’ বা ‘Grammatike’ শব্দ থেকে ‘Grammar’ শব্দটির উৎপত্তি, যার আদি ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো "শব্দশাস্ত্র" বা "শব্দবিদ্যা"
ড. মুহম্মদ এনামুল হক রচিত আরও কয়েকটি গ্রন্থ -মনীষা মঞ্জষা, বঙ্গে সুফী প্রভাব ,বুলগেরিয়া ভ্রমণ ,মুসলিম বাঙ্গামা সাহিত্য।
* সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' বইটির প্রকাশকাল (১৯২৬ খ্রি.) ।
* বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমাণিকা' ও ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ (১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ভাগ)।
* ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'বাংলা ব্যাকরণ'।
* শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ মঞ্জরী'।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ : প্রভাবতী সম্ভাষণ, বেতাল পঞ্চবিংশতি, ব্যাকরণ কৌমুদী, বোধোদয়, বর্ণপরিচয়, কথামালা, অতি অল্প হইল, আবার অতি অল্প হইল। কলিকাতা কমলালয়, বত্রিশ সিংহাসন ও গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচয়িতা যথাক্রমে - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ও রাজা রামমোহন রায়।
রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লিখেছেন। তিনি ১৮৩৩ সালে "গৌড়ীয় ব্যাকরণ" নামক পূর্ণাঙ্গ বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন, যা ছিল কোনো বাঙালি কর্তৃক বাংলায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ।
জব সলুশন