বক্তৃতা ও সংলাপের জন্য কোন ভাষা বেশি ব্যবহার করা হয়?

ক) আঞ্চলিক ভাষা
খ) চলিত ভাষা
গ) উপভাষা
ঘ) সাধু ভাষা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বক্তৃতা ও সংলাপের জন্য চলিত ভাষা বেশি ব্যবহার করা হয়।  চলিত ভাষারীতি মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি এবং এটি সাবলীল। তাই প্রাঞ্জল ও আকর্ষণীয় বক্তৃতা দেওয়ার জন্য এবং নাটক বা দৈনন্দিন জীবনের সংলাপ লেখার ক্ষেত্রে চলিত বা প্রমিত রূপটিই সবচেয়ে উপযোগী। পক্ষান্তরে, সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর এবং এটি ভাষণ বা সংলাপের জন্য অনুপযোগী। 

Related Questions

ক) পরিবর্তনশীল
খ) আভিজাত্যের অধিকারী
গ) অপরিবর্তনীয়
ঘ) সুনিয়ন্ত্রিত
Note :

চলিত ভাষার প্রধান ও প্রযোজ্য বৈশিষ্ট্য হলো এটি পরিবর্তনশীল এবং এটি সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠায় অত্যন্ত সর্বজনগ্রাহ্য, মার্জিত ও গতিশীল। 

ক) আভিজাত্য
খ) পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট
গ) কাঠামো অপরিবর্তিত
ঘ) কৃত্রিমতা বর্জিত
Note :

বাংলা ভাষার চলিত রীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি কৃত্রিমতা বর্জিত। অর্থাৎ, এই রীতিটি মানুষের মুখের স্বাভাবিক ও দৈনন্দিন বুলির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এর শব্দচয়ন ও বাক্যগঠন অত্যন্ত সহজ, সাবলীল ও প্রাণবন্ত। চলিত রীতির অন্যান্য প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

সর্বজনীনতা: এটি অত্যন্ত সহজবোধ্য এবং সব মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য।

সংক্ষিপ্ত রূপ: এতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহৃত হয় (যেমন: 'করিতেছে'-এর বদলে 'করছে', 'তাহারা'-এর বদলে 'তারা')।

শব্দভাণ্ডার: এতে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ব্যবহার কম থাকে এবং তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের আধিক্য দেখা যায়।

গতিশীলতা: চলিত রীতি সবসময় পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।

ক) সাধু রীতি
খ) কথ্য রীতি
গ) চলিত রীতি
ঘ) বানান রীতি
Note :

- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো: সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল কিন্তু চলিত রীতি তদ্ভব শব্দবহুল ও পরিবর্তনশীল।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়। অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল (সাধু)। তারপর তারা চলে গেল (চলিত)।

ক) চলিত রীতি
খ) মিশ্র রীতি
গ) সাধু রীতি
ঘ) আঞ্চলিক রীতি
Note :

'তৎসম' শব্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয় সাধু রীতিতে। তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দগুলো সাধারণত গুরুগম্ভীর হয়, যা সাধু ভাষারীতিকে সমৃদ্ধ ও সুশৃঙ্খল করে

ক) কবিতার পঙ্ক্তিতে
খ) গল্পের বর্ণনায়
গ) গানের কলিতে
ঘ) নাটকের সংলাপে
Note :

উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রূপ গড়ে ওঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'।
সাধু ভাষার বৈশিস্ট্য-

- সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণরীতি অনুসরণ করে।
- সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।
- সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।

ক) চলিত ভাষা
খ) লেখ্য ভাষা
গ) কথ্য ভাষা
ঘ) সাধু ভাষা
Note :

বাংলা ভাষার সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এটি কঠোর ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে এবং এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়  সাধু ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

ব্যাকরণসিদ্ধ: এটি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে।

ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ: এতে ক্রিয়া (যেমন: করিতেছি) এবং সর্বনাম (যেমন: তাহারা) পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

তৎসম শব্দের প্রাচুর্য: এতে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি থাকে। 

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন