সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য-
Related Questions
সমধাতুজ কর্ম : বাক্যের ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ যদি একই ধাতু বা ক্রিয়ামূল থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। অর্থাৎ, ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ একই শব্দমূল থেকে গঠিত হলে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। যেমন -
আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি।
এখানে ক্রিয়াপদ ‘ঘুমিয়েছি’, আর কর্মপদ ‘ঘুম’ (কী ঘুমিয়েছি?)। আর এই ‘ঘুমিয়েছি’ আর ‘ঘুম’ দুটি শব্দেরই শব্দমূল ‘ঘুম্’। অর্থাৎ, শব্দ দুইটি একই ধাতু হতে গঠিত (ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলে)। সুতরাং, এই বাক্যে ‘ঘুম’ কর্মটি একটি সমধাতুজ কর্ম। এরকম -
আজ কী খেলা খেললাম। (খেল্)
আর মায়াকান্না কেঁদো না। (কাঁদ্)
যখন আমাদেরকে "ইচ্ছা বিশেষ্যের বিশেষণ কোনটি?" উল্লেখ করা হয়, তখন আমাদের "ইচ্ছা" শব্দটির অর্থ গ্রহণযোগ্য করে বিশেষণের মধ্যে কিভাবে ইচ্ছাকে প্রকাশ করা যায় তা বোঝাতে হবে।
উল্লেখিত অপশনগুলো থেকে, "ঐচ্ছিক" শব্দটি সঠিক উত্তর কারণ:
ঐচ্ছিক: এই শব্দটি ইচ্ছার ভিত্তিতে কিছু করার অথবা বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা নির্দেশ করে। এটি সেই বিশেষণের একটি উদাহরণ যেখানে ইচ্ছাকে নির্দেশ করা হচ্ছে।
অন্য অপশনগুলো:
ইচ্ছাময়: এটি "ইচ্ছা" শব্দের সাথে যুক্ত হলেও, এটি সাধারণত অবস্থার বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষণ হিসেবে এটি আধিকারিক নয়।
ইচ্ছুক: এটি একটি ক্রিয়াবাচক বিশেষণ যা ইচ্ছার প্রকাশ ঘটায় তবে এটি "বিশেষ্য" হিসেবে কাজ করে না।
অনিচ্ছা: এটি "ইচ্ছা" এর বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে, তাই এটি প্রাসঙ্গিক নয়।
এভাবে, "ঐচ্ছিক" সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
”দ্যুলোক” শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে দিব্ + লোক।
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি 'দ্যুলোক' এর যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হল : দিব্ + লোক। আরো কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হল : এক্ + দশ = একাদশ, ষট্ + দশ = ষোড়শ, মনস্ + ঈশা = মনীষা, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, গো + পদ = গোষ্পদ, দিব্ + লোক = দ্যুলোক, বন্ + পতি = বনস্পতি, পর্ + পর = পরস্পর, আ + চর্য = আশ্চর্য, তৎ + কর = তস্কর
শুদ্ধ বানান টি হল - 'মুহুর্মুহু'।
মুহুর্মুহু শব্দটির অর্থ - বারে বারে, পুনঃপুনঃ, ঘনঘন ইত্যাদি।
• প্রজ্ঞা - Wisdom
• বুদ্ধি - Intelligence
• মেধা - Intellect
• জ্ঞান - Knowledge
তাপ শব্দের অর্থ - উত্তাপ, ভাপ, গরম, উষ্ণ, উষ্মতা, উষ্ণতা, আঁচ ইত্যাদি।
শৈত্য শব্দের অর্থ - বাষ্প, আর্দ্র, স্যাঁতসেঁতে, ক্লেদ ইত্যাদি।
তাই তাপ শব্দের বিপরীত শব্দ শৈত্য।
জব সলুশন