কাঁদো নদী কাঁদো’ এর রচয়িতা কে ?
'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) উপন্যাসটির রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ । লেখকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো - লালসালু (১৯৪৮) , চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪) । শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২) । আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭) । আবু ইসহাকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি (১৯৫৫) ।
Related Questions
শিক্ষাবিদ ও কবি সৈয়দ আলী আহসানের বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ' হুইটম্যানের কবিতা' ও 'ইডিপাস । বাংলা সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরষ্কার (১৯৬৭) ,সুফী মোতাহের হোসেন স্বর্ণপদক (১৯৮৫), নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৮৫) স্বাধীনতা পুরস্কারসহ (১৯৮৮) নানা পুরস্কার লাভ করেন।
"আমার পূর্ব বাংলা" - কবিতাটির রচয়িতা - সৈয়দ আলী আহসান। কবিতাটি " একক সন্ধায় বসন্ত" কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া। কবিতাটি গদ্যছন্দে রচিত, এতে সুনির্দিষ্ট পর্ব বা মাত্রাসাম্য নেই। সৈয়দ আলী আহসান ১৯২২ সালের মাগুরা জেলার আলোকদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
'ক্রীতদাসের হাসি ' - এর লেখক শওকত ওসমান।
ক্রীতদাসের হাসি বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি উপন্যাস। ১৯৬২ সালে তিনি এ উপন্যাসটি রচনা করেন।
১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন পাকিস্তানকে বর্বর স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে আবদ্ধ করলো। এ সময় সব ধরনের - বাক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। তৎকালীন পাকিস্থানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের শাসন ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে এ উপন্যাস রচিত হয়।
'জাহান্নাম হতে বিদায়' উপন্যাসটির লেখক শওকত ওসমান। ও উপন্যাসে তিনি নিয়ে এসেছেন পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর অত্যাচারের মিত্র। সেই সঙ্গে পাকিস্তানীদের বর্বরতা,মানুষের অসহায়ত্ব এবং আমাদের প্রতিরোধের চিত্র এঁকেছেন।
জব সলুশন