জসীমউদ্দিনের কাব্য গ্রন্থ কোনটি?
জসীমউদ্দীন এর কাব্য " মা যে জননী কান্দে"
তার আরও কাব্য গ্রন্থ হলো - রাখালী, নকশী কাথার মাঠ, বালুচর, সোজন বাদিয়ার ঘাট, হাসু কান্দে, রুপবতী, মাটির কান্না, জলে লেখন, কাফনের মিছিল।
Related Questions
জসীমউদ্দিনের নাটক ' বেদের মেয়ে '। তার আরো কয়েকটি নাটক : পদ্মাপাড়, মধুমালা, পল্লীবধূ, গ্রামের মায়া। অন্যদিকে ' রাখালী ' ও ' মাটির কান্না ' হলো তার কাব্য। 'বোবাকাহিনী' তার উপন্যাস।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের রচিত " চলে মুসাফির" একটি ভ্রমণকাহিনী। " চলে মুসাফির" শিশুর সারল্য নিয়ে লেখা একটি ভ্রমণকাহিনী। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। জসীম উদ্দিনের অন্যান্য ভ্রমণকাহিনী গুলো হলো - হলদে পরীর দেশে, যে দেশে মানুষ বড়, জার্মানীর শহরে বন্দরে ইত্যাদি।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯ - ১৯৭৬) খ্রি। তার 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি রচনার জন্য কারারুদ্ধ হন এবং এক বছরের জন্য সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। 'প্রলয়শিখা ' গ্রন্থের জন্য তিনি ৬ মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। ' বিদ্রোহী' কবিতা রচনার জন্য তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধু কবিতাই নয় - গল্প উপন্যাস, প্রবন্ধ ও নাটক রচনায় ও ছিলেন সিদ্ধহস্ত। তার রচিত ৩ টি উপন্যাস হলো - 'বাঁধনহারা ' (১৯২৭) , 'মৃত্যুক্ষুধা ' (১৯৩০) এবং 'কুহেলিকা' (১৯৩১), । প্রশ্নে উল্লিখিত 'আলোয়া' (১৯৩১) , 'ঝিলিমিলি' (১৯৩০) ও 'মধুমালা' (১৯৫৯) তার রচিত নাটক।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ 'রুদ্রমঙ্গল' (১৯২৩) । তার কয়েকটি প্রবন্ধগ্রন্থ : যুগবাণী ,রাজবন্দীর জবানবন্দী , দুর্দিনের যাত্রী, ধূমকেতু । অন্যদিকে 'অগ্নিবীণা' তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ । 'শিউলিমালা ' ও ব্যথার দান ' তার গল্পগ্রন্থ। উল্লেখ্য তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ' ব্যথার দান।
‘চক্রবাক’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম। এ কাব্যটি কবিত প্রেমের কাব্য। এ কাব্যে কবির বিরহী হৃদয় বেসনা ঝরে পড়েছে। এ কাব্যের কবিতাগুলো কবে ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সালের মধ্যে রচনা করেন।
জব সলুশন