রক্তাক্ত প্রান্তর' এর পটভুমি ছিলো-
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ এই নাটকের পটভূমি। এই যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় ১৭৬১ সালে। মারাঠা বাহিনীর নেতৃত্ব করেন বালাজী রাও পেশােয়া; মুসলিম শক্তির পক্ষে আহমদ শাহ্ আবদালী। এই যুদ্ধের ইতিহাস যেমন শােকাবহ তেমনি ভয়াবহ হিন্দু ও মুসলিম পরস্পরকে নিশ্চিহ্ন করে দেবার সঙ্কল্প নিয়ে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।
Related Questions
রশীদ হায়দারের ‘খাঁচায়’ (১৯৭৬) উপন্যাস বাংলাদেশের একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অবরুদ্ধ বাংলাদেশের মানুষের যন্ত্রণার কথা নিয়ে লেখা।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও উপন্যাস জননী।
বিজন ভট্টাচার্যর ১৯৪৪ সালে লেখা পঞ্চাশের মন্বন্তর (ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশের ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ) নিয়ে রচিত একটি বাংলা নাটক হল নবান্ন ।
ওঙ্কার (১৯৭৫) ছফার দ্বিতীয় উপন্যাস যা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।
বিজ্ঞান শিক্ষাকে মাতৃভাষার মাধ্যমে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য ‘কলিঙ্গ’ পুরস্কার লাভ করেন - আবদুল্লাহ আল মুতি।
আবদুল্লাহ আল - মুতী শরফুদ্দিন (১ জানুয়ারি ১৯৩০ - ৩০ নভেম্বর ১৯৯৮) বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞান লেখক, বিজ্ঞান কর্মী এবং সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি আবদুল্লাহ আল - মুতী নামেই সমধিক পরিচিত।
বিজ্ঞান জনপ্রিয় করণে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি ইউনেস্কো কলিঙ্গ পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
আবুল মনসুর আহমদের উক্তি; বিদেশী ভাষা শিখিব মাতৃভাষায় শিক্ষিত হইবার পর, আগে নয়।
প্রমথ চৌধুরীর কিছু উক্তি : এদেশে লাইব্রেরী সার্থকতা হাসপাতালের চাইতে কিছু কম নয় এবং স্কুল-কলেজের চাইতে কিছু বেশি ।
বাংলা ভাষা আহত হয়েছে সিলেটে আর নিহত হয়েছে চট্টগ্রামে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি : শিক্ষায় মাতৃভাষাই হলো মাতৃদুগ্ধ'।
আবুল মনসুর আহমদের উক্তি : গোশত আন্ডা ও পানির মধ্যে ইসলামত্ব নাই বটে, তবে মুসলমানত্ব আছে।
‘বিদেশী ভাষা শিখিব মাতৃভাষায় শিক্ষিত হইবার পর, আগে নয়।
সৈয়দ মুজতবা আলীর উক্তি : বই কিনে কেউ তো কখনো দেউলে হয়নি।
আকাশের জল আর চোখের জল একই কারণে ঝরে না
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' - এর সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক 'কবর' - এর রচয়িতা মুনীর চৌধুরী । ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ভাষাসৈনিক হিসেবে পরিচিত গাজীউল হক। কবি শামসুর রাহমার তার সাংবাদিকতা শুরু করেন ১৯৫৭ সালে ইংরেজি দৈনিক 'দ্য মর্নিং নিউজ' এর সহসম্পাদক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে তিনি 'দৈনিক বাংলা' এবং 'সাপ্তাহিক বিচিত্রা'র সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
বাঙালি জাতির ১৯৫২ সালের আত্মত্যাগের দীর্ঘ ৪৭ বছর পর ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর UNESCO ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি UNESCO - র ১৮৮ টি সদস্য রাষ্ট্রে এটি প্রথমবারের মতো পালিত হয়।
জব সলুশন