হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক।
জন্ম: ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩, নৈহাটি, কলকাতা, ভারত
মারা গেছেন: ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১, কলকাতা, ভারত
বিষয়: পুঁথি সংগ্রাহক
ধরন: ঔপন্যাসিক
উল্লেখযোগ্য রচনাবলি: বাল্মীকির জয়, মেঘদূত ব্যাখ্যা, বেণের মেয়ে, কাঞ্চনমালা, সচিত্র রামায়ণ, প্রাচীন বাংলার গৌরব, বৌদ্ধধর্ম ।
শিক্ষা: সংস্কৃত কলেজ (১৮৭৭), সংস্কৃত কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়, প্রেসিডেন্সী বিশ্ববিদ্যালয়।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
Related Questions
মুকুন্দরাম রাম চক্রবর্তীর উপাধি হলো - কবি কঙ্কন।
এছাড়া তাকে দুঃখ বর্ণনার কবি বলা হয়।
জমিদার রঘুনাথের নির্দেশে তিনি শ্রী শ্রী চণ্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেন।
বিদ্যাপতি পঞ্চদশ শতকের মৈথিলি কবি। তার উপাধি কবি কন্ঠহার কবি বিদ্যাপতি ‘মৈথিল কোকিল’ ও 'অভিনব জয়দেব' নামেও খ্যাত।
"দৃষ্টিহীন” কার ছদ্মনাম মধুসূদন মজুমদার।
বিহারীলাল চক্রবর্তী এর ছদ্মনাম ''ভোরের পাখি" এবং প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম "টেকচাঁদ ঠাকুর"।
রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
জব সলুশন