কবি কায়কোবাদ রচিত 'মহাশ্মশান' কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল--

ক) পলাশীর যুদ্ধ
খ) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
গ) ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
ঘ) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মহাকবি কায়কোবাদের (১৮৪৮ - ১৯৫২) শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' (১৯০৪)। কাব্যটির ঐতিহাসিক পটভূমি হলো তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ (১৭৬১)। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) অবলম্বনে কাব্যটি রচিত। এই মহাকাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলোঃ ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা বেগম, হিরণ বালা, আতা খাঁ, লঙ্গ, রত্নজি, সুজাউদ্দৌলা, সেলিনা, আহমদ শাহ্ আবদালী।

Related Questions

ক) বাল্মিকী
খ) ভিয়াস
গ) চণ্ডীদাস
ঘ) এদের কেউ নন
Note :

হিন্দুদের জাতীয় মহাকাব্য "রামায়ণ'র মূল রচয়িতা বাল্মিকী।

এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত আদি মহাকাব্য।

এটিকে জাত মহাকাব্য হিসেবে অভিহিত করা হয়।

বাল্মিকীর মূল নাম দস্যু রত্নাকর।

বাল্মিকী মানে হলো - উইপোকা।

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) জীবনানন্দ দাশ
গ) কাজি নজরুল ইসলাম
ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ক) বিদ্রোহী
খ) মুক্তি
গ) রণসংগীত
ঘ) লিচু চোর
Note :

মুক্তি কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রকাশিত প্রথম কবিতা। এই কবিতাটি ১৩২৬ বঙ্গাব্দে মুসলিম সাহিত্য পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।

ক) সোনার তরী
খ) পূরবী
গ) বলাকা
ঘ) পুনশ্চ
Note :

বলাকা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দ। গ্রন্থটি কবি উৎসর্গ করেছিলেন উইলিয়াম পিয়রসনকে। ১৯১৫ - ১৬ সালে কবির কাব্যগ্রন্থ নামক কাব্যসংকলনেও এটি অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে দেখা যায় পূর্ববর্তী গীতাঞ্জলি - পর্বের ঈশ্বরানুভূতি ও অতীন্দ্রিয় চেতনা থেকে মুক্ত হয়ে কবি একটি স্বতন্ত্র জগৎ সৃষ্টি করেছেন। "যৌবনের জয়গান, চলমান বিশ্বের অনিঃশেষ যাত্রা, ভাষার বর্ণাঢ্য উজ্জ্বলতা ও ছন্দের অপ্রতিহত প্রবাহ বলাকার বৈশিষ্ট্য।" এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলি হল "সবুজের অভিযান", "শঙ্খ", "ছবি", "শা - জাহান", "বলাকা" ইত্যাদি।

ক) বিহারীলাল চক্রবর্তী
খ) প্যারীচাঁদ মিত্র
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Note :

বিহারীলাল চক্রবর্তী (২১ মে, ১৮৩৫ - ২৪ মে, ১৮৯৪) বাংলা ভাষার কবি। বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি - কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ তাকে বাঙলা গীতি কাব্য - ধারার 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন। তার সব কাব্যই বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। মনোবীণার নিভৃত ঝংকারে তার কাব্যের সৃষ্টি। বাঙালি কবি মানসের বহির্মুখী দৃষ্টিকে অন্তর্মুখী করার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। অতি অল্পকালের ভিতরে তিনি বাংলা কবিতার প্রচলিত ধারার পরিবর্তন ঘটিয়ে নিবিড় অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে গীতিকবিতার ধারা চালু করেন। এ বিষয়ে তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি সাহিত্যের মাধ্যমে গভীরভাবে প্রভাবিত হন। বিহারীলাল তার কবিতায় ভাবের আধিক্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রকৃতি ও প্রেম, সংগীতের উপস্থিতি, সহজ - সরল ভাষা বিহারীলালের কবিতাকে দিয়েছে আলাদাধারার বৈশিষ্ট্য।

ক) রূপসী বাংলা
খ) বনলতা সেন
গ) ছাড়পত্র
ঘ) সারাদুপুর
Note :

জীবনানন্দ দাশ রচিত "বনলতা সেন" ১৯৩৫ সালে বুদ্ধদেব বসুর কবিতা পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়৷

জীবনানন্দ দাস - রুপসী বাংলার কবি নামে পরিচিত।এছাড়া তিমির হননের কবি,নির্জনতার কবি নামে পরিচিত।

জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্য গ্রন্থ গুলো হলোঃ

"ঝরাপালক" (১৯২৭), "ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬), "বনলতা সেন" (১৯৪২), "মহাপৃথিবী"(১৯৪৪), "সাতটি তারার তিমির"(১৯৪৮), "রূপসী বাংলা"(১৯৫৭), "বেলা অবেলা কালবেলা"(১৯৬১); 

জব সলুশন

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন