বাংলায় টিএস এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক-
প্রথম বাংলায় টিএস ইলিয়টের কবিতা অনুবাদ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। টি এস এলিয়ট - এর The Journey of the Magi কবিতার অনুবাদ করা হয়েছিলো। রবীন্দ্রনাথ তার "পুনশ্চ" কাব্যে "তীর্থযাত্রী" কবিতা নামে এটি সংকলন করেছিলেন।
Related Questions
জঙ্গনামা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য। ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। বিশেষত হযরত মুহম্মাদ (স.) ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণীর কাব্যের মূল বিষয়। যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে। তাই আরবি - ফারসি সাহিত্যে যেমন, বাংলা সাহিত্যেও তেমনি ‘জঙ্গনামা’ বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।
'অন্নদামঙ্গল'কাব্য রচনা করেন কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তিনি ছিলেন মঙ্গল কাব্যধারার সর্বশেষ কবি । তার রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি ছিল অভিনব বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, আধ্যাত্মিকতামুক্ত।
"পরানের গহীন ভিতর" কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক।
সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক।
কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়।
তার লেখকজীবন প্রায় ৬২ বছর ব্যাপী বিস্তৃত। সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
সৈয়দ হকের কবিতায় রয়েছে গভীর অনুপ্রেরণা। তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ একদা এক রাজ্যে ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয়। পরে বৈশাখে রচিত পংক্তিমালা, পরাণের গহীন ভেতর, নাভিমূলে ভস্মাধার, আমার শহর ঢাকা, বেজান শহরের জন্য কেরাম, বৃষ্টি ও জলের কবিতা কাব্যগ্রন্থগুলো তাকে পাঠকমহলে জনপ্রিয় করে তুলে।
১৮ বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রস্থ প্রকাশিত হয়- 'কবি-কাহিনী' (১৮৭৮) এ কবিতাটি 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রথম প্রকাশিত নাটক: বাল্মীকি প্রতিভা (১৮৮১) এটি আর গীতিনাট্য প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসঃ বৌ ঠাকুরানীর হাট (১৮৮৩) উৎসর্গ করেন সৌদামিনী দেবীকে।
'মেঘ বলে চৈত্রে যাবো' কাব্য গ্রন্থটি লিখেছেন আহসান হাবীব।
আহসান হাবীবের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ছায়াহরিণ, সারাদুপুর, আশায় বসতি, দুই হাতে দুই আদিম পাথর, প্রেমের কবিতা, বিদীর্ণ দর্পণে মুখ।
ধূসর পান্ডুলিপি কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) ভারতে প্রকাশিত হয়। জীবনানন্দ এই বইটি কবি বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করেন।
জব সলুশন