বঙ্গভঙ্গ রদ হয় কোন সালে ?
বঙ্গভঙ্গ ১৯১১ সালে রদ করা হয়।
১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকাকে দ্বিতীয়বারের মত রাজধানী ঘোষণা করে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন। ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজ শাসক লর্ড হার্ডিঞ্জের শাসনামলে দিল্লীর এক সভাতে ব্রিটিশ রাজা পঞ্চম জর্জের উপস্থিতিতে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
Related Questions
সম্রাট আকবর বাংলা নববর্ষ ‘পহেলা বৈশাখ চালু করেন।
- ফসল কাটার মৌসুমে খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা সন চালু করা হয়।
- সম্রাট আকবরের উপদেষ্টা আমীর ফতেউল্লাহ সিরাজী বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- বাংলা সন চালু করার ব্যাপারে সম্রাট আকবর ১৫৮৪ সালে নির্দেশনা জারি করেন।
- তবে এর কার্যকারিতা দেখানো হয় ১৫৫৬ থেকে। কারণ ঐদিনটি ছিল আকবরের সিংহাসন আরোহণের তারিখ।
২০১৪ সালের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বা ব্যবসায়িক সক্ষমতা সূচকে (Global Competitiveness Index) বাংলাদেশ ১০৯তম অবস্থানে ছিল (বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ২০১৪-১৫ প্রতিবেদন অনুযায়ী)।
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন অনুযায়ী পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে মোট আসন সংখ্যা ছিল ১৬৯টি
একটি নগররাষ্ট্র হল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, এছাড়াও এটিকে ছোট স্বাধীন দেশ হিসেবেও বর্ণনা করা যায়।
- ইতিহাসে রোম, এথেন্স, কার্থেজ এবং রেনেসাঁর সময়ে ইতালিয়ান নগর-রাষ্ট্র গুলো এটির অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ২০১৯ সাল পর্যন্ত অল্প কিছু নগররাষ্ট্রেরই অস্তিত্ব আছে, যদিও তারা আদৌ তারা নগররাষ্ট্র কিনা তা নিয়ে মতভেদ আছে।
- বর্তমানে সর্বসম্মতিক্রমে শুধুমাত্র লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, সিঙ্গাপুর এবং ভ্যাটিকান সিটির ক্ষেত্রে এই শব্দটি প্রযোজ্য।
চৈনিক সভ্যতা
» চীনে নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল – প্রায় চার হাজার বছর আগে।
» প্রাচীন চীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল – হোয়াংহো, ইয়াংসিকিয়াং, এবং দক্ষিণ চীনে ।
» চৌ রাজাদের আধিপত্য চীনে টিকে ছিল – ৮৭৩ বছর।
» চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক— কনফুসিয়াস।
» কনফুসিয়াসের দর্শন ধর্মে পরিণত হয়— খ্রিস্টপূর্ব ২০৬ অব্দে।
» শাং যুগে যে ধাতুর জিনিস ব্যবহৃত হতো – ব্রোঞ্জের।
» চীনা জনগোষ্ঠী মূলত যে বংশোদ্ভূত – মঙ্গোলীয় ।
» চীনের প্রথম রাজবংশের নাম – শিয়া। দ্বিতীয়-শিং বংশ।
» চীনের রাজাদের বলা হতো – Son of God.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ৪টি । ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের প্রস্তাবনা ও অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী, এই নীতিগুলো হলো:
১. জাতীয়তাবাদ
২. সমাজতন্ত্র (শোষণ থেকে মুক্তি)
৩. গণতন্ত্র (ও মৌলিক মানবাধিকার)
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা (ও ধর্মীয় স্বাধীনতা)
জব সলুশন