ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কোন কাব্যের উপজীব্য?
Related Questions
সিরাজাম মুনিরা - কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ফররুখ আহমদ। ইসলামী রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের সিরাজাম মুনিরা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে ঢাকায়। তার পরপ্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ " সাত সাগরের মাঝি" প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে কলকাতা থেকে। এ কাব্যটি প্রকাশের মধ্য দিয়েই তিনি কবি খ্যাতির শীর্ষে আরোহণ করেন।
চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম ফররুখ আহমদের (১৯১৮ - ১৯৭৪ খ্রি.) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ খ্রি.) তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'সিরাজাম মুনীরা' (১৯৫২) , 'নৌফেল ও হাতেম' (কাব্যনাট্য, ১৯৬১ ), 'মুহূর্তের কবিতা' (সনেট সংকলন' ১৯৬৩), 'হাতেমতায়ী' (কাহিনী কাব্য, ১৯৬৬) ইত্যাদি।
বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতাবাদী ৫ জন কবিকে পঞ্চপাণ্ডব ও তিরিশের দশকের কবি বলা হয়।
এদের মধ্যে অমিয় চক্রবর্তী রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন।
তার উল্লেখযোগ্য কাব্য গ্রন্থ হলো - খসড়া, মাটির দেয়াল, পারাপার ইত্যাদি।
'বনলতা সেন ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা জীবনানন্দ দাশ। জীবননান্দ দাশ প্রধানত প্রকৃতির কবি। তার কাব্য চিত্ররুপময়। তার রচিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' 'সাতটি তারার তিমির' 'বেলা অবেলা কালবেলা' এবং 'রুপসী বাংলা' প্রভৃতি।
জীবনানন্দ দাশ (১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪) (৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি। তাঁকে বাংলাভাষার "শুদ্ধতম কবি" বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অগ্রগণ্য।
জব সলুশন