‘দহরম-মহরম’- এর বিপরীত বাগধারা কোনটি ?
'দহরম-মহরম' (যার অর্থ গভীর বন্ধুত্ব বা সখ্যতা) বাগধারাটির বিপরীতার্থক বাগধারা হলো 'অহিনকুল' (যার অর্থ সাপ ও বেজির চিরশত্রুতা বা চরম অমিল)।
Related Questions
'আবির্ভাব' শব্দটির বিপরীত শব্দ হলো তিরোভাব। 'আবির্ভাব' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রকাশ বা আগমন। এর বিপরীত শব্দ 'তিরোভাব'-এর অর্থ হলো অন্তর্ধান বা আড়াল হওয়া।
'মহিমা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: মহৎ + ইমন্। এখানে 'মহৎ' হলো প্রকৃতি (বিশেষ্য বা বিশেষণ) এবং 'ইমন্' হলো প্রত্যয় (তদ্ধিত প্রত্যয়)
বাংলা ভাষায় যতি বা বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার ও প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থে তিনি সর্বপ্রথম জ্যোতি বা বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার করেন। এর আগে বাংলা লেখায় কোনো যতি চিহ্ন ব্যবহারের চল ছিল না l
সন্ধি বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি তত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়। যেহেতু সন্ধি মূলত সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলন এবং উচ্চারণের সুবিধার সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি ব্যাকরণের ধ্বনি বিষয়ক আলোচনা বা ধ্বনি তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত l
কেতা দুরস্ত' (বা কেতাদুরস্ত) বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো পরিপাটি। এটি মূলত পরিপাটি, ফিটফাট, রুচিসম্মত বা আদবকায়দায় ত্রুটিহীন কোনো অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়
'পূর্বে ছিল এখন নেই'- এর বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো ভূতপূর্ব। বাংলা ব্যাকরণে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ যা আপনার কাজে লাগতে পারে: যা পূর্বে ছিল না কিন্তু এখন আছে: অভূতপূর্ব,যা আগে দেখা যায় নি: অদৃষ্টপূ
জব সলুশন