ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
ফেসবুক ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন মার্ক জাকারবার্গ । তিনি একজন আমরিকান কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও সফটওয়্যার ডেভেলপার। তার পুরো নাম মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ। তিনি বর্তমান ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্ট।
Related Questions
- মানবদেহে তিন ধরনের রক্তকণিকার মধ্যে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয়। এর গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিন অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেবে অক্সিজেন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করে।
- এতে হিমোগ্লোবিন (৯০%) থাকায় একে Red Blood Cell (RBC) বলে।
- শ্বেতকণিকা আকার বিহীন। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এতে হিমোগ্লোবিন না থাকায় শ্বেত রক্তকণিকাকে White Blood Cell বা WBC বলে।
- মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।
- শ্বেত রক্তকণিকা ও লোহিত রক্তকণিকার অনুপাত ১ : ৭০০।
জিকা ভাইরাস সর্বপ্রথম আফ্রিকার উগান্ডা দেশে পাওয়া যায়। ১৯৪৭ সালে উগান্ডার জিকা বনে একটি বানরের শরীরে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়।
মানুষের বিভিন্ন ধরণের কার্যকলাপের ফলে অথবা প্রাকৃতিক কারণে বাতাসে অবস্থিত এক বা একাধিক গ্যাসের বিভিন্ন পরিবর্তন সাধিত হয়। গ্যাসের এই পরিবর্তনকেই বলা হয় বায়ুদূষণ।
- ডিজেল পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) উৎপন্ন হয়।
- যানবাহন থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় থাকে কার্বন মনোক্সাইড।
- বায়ুদূষণের জন্য প্রধানত দায়ী কার্বন মনোক্সাইড।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের মোট ১১১টি ছিটমহল ছিল। ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক ভূমি সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী এসব ছিটমহলের আনুষ্ঠানিক বিনিময় সম্পন্ন হয়।
- ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৫৮ সালে তৎকালীন শিক্ষাসচিব ড.এস.এম শরিফকে প্রধান করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট শরিফ কমিশন গঠন করা হয়।
- এ কমিটি ২৬ আগস্ট, ১৯৫৯ সালে রিপোর্ট দাখিল করে। আর ১৯৬০ সালে এটি প্রকাশিত হয়। এতে ছাত্র-রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়।
- এ কমিটির পেশকৃত অনেক সুপারিশকে উচ্চ শিক্ষা বন্ধের ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র আন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬২ সালে ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালালে কয়েকজন ছাত্র শহিদ হন।
- ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার শেষ পর্যন্ত শরিফ কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।
ডাউন সিনড্রোম হলো একটি জিনগত বা ক্রোমোজোমজনিত অবস্থা , যা ২১ নম্বর ক্রোমোজোমের অতিরিক্ত একটি অনুলিপি বা কপির উপস্থিতির কারণে ঘটে। একে 'ট্রাইসোমি ২১' ও বলা হয়। এর ফলে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতে ধীরগতি, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ব্যাহত হওয়া এবং নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়।
জব সলুশন