মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে কত সালে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেন ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)।
Related Questions
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলা ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবিকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়। ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম যুদ্ধ করেন ২ নং সেক্টরে। তারামন বিবির যুদ্ধ করেন ১১ নং সেক্টরে। তিনি ১৯৫৭ সালে কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, মোট ৪২৬ জন ব্যক্তিকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম বাথ (Baht), যা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক অফ থাইল্যান্ড’ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বাথ-এর আন্তর্জাতিক কোড হলো THB এবং এর প্রতীক হলো ฿ ।
- থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা প্রাচীনকালে শ্যামদেশ নামে পরিচিত ছিল।
- দেশটির রাজধানী ও সবচেয়ে জনবহুল শহরের নাম ব্যাংকক।
দক্ষিণ আমেরিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনিজুয়েলার উদ্যেগে গঠিত হয় OPEC (Organization of the Petroleum Exporting Countries)।
- এটি ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫টি।
- ওপেকের বর্তমান সদস্য দেশ ১৩ টি।
- ২০০৮ সালে ইন্দোনেশিয়া ওপেক থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে। ২০১৬ সালে পুনরায় যোগদান করেন এবং ২০১৬ সালে এর শেষে আবার সদস্য পদ প্রত্যাহার করে নেয়।
- বর্তমানে মালেশিয়ে ও ইন্দোনেশিয়া ওপেক এর সদস্য না।
১৩টি দেশ হলোঃ ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনেজুয়েলা, আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া, লিবিয়া, অ্যাঙ্গোলা, গ্যাবন, নিরক্ষীয় গিনি ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।
এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ছিল ৫টি। যথা- ভেনেজুয়েলা, সৌদি আরব, ইরান, ইরাক ও কুয়েত।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৩০০ এবং নারীই জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০টি।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
- এটি ১৭৭০ সালে ঘটে। ১১৭৬ বঙ্গাব্দে এই দুর্ভিক্ষ হয়েছিল বলে একে 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বলা হয়।
- এই দূর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
- এ সময় বাংলার গর্ভনর ছিলেন কার্টিয়ার।
সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন হলো ওজনস্তররের ক্ষতিসাধনকারী গ্যাস। উপাদানগুলোর মধ্যে ক্লোরিন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। ক্লোরোফ্লোরো-কার্বন গ্যাস বা সিএফসি যেন অনেকটা ওজোন স্তরকে খেয়ে ফেলতে থাকে। এই সিএফসি থাকে বিভিন্ন ধরনের স্প্রে ক্যানে, ফ্রিজ এবং এয়ার কন্ডিশনারে। ফলস্বরূপ, ১৯৮৫ সালে দেখা গেল যে দক্ষিণ গোলার্ধের ওজোন স্তরে বড়সড় একটি গর্ত তৈরি হয়েছে।
ওজোন স্তরকে রক্ষা করার জন্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সাক্ষরিত হয় মন্ট্রিল চুক্তি, এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হয়।
জব সলুশন